প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্থানীয় আ. লীগের কর্মীদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে এমপিদের, সুবিধা নিচ্ছে শরিকরা

রফিক আহমেদ : স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে দিনদিন দূরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে এসব সংসদ সদস্যদের। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে ছাড় পাওয়া আসনের এমপিগণ নিজেদের ভিত্তি পাকাপোক্ত করার জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৪ দলীয় জোটের শরীকদের জন্য ‘ছাড়’ দেয়া সংসদীয় আসনে কোনঠাসা হয়ে পড়ছে সরকারি দল আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। নিজেদের সাংগঠনিকভাবে শক্ত ভীত সৃষ্টি করার জন্য নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের দিচ্ছেন ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা। রাজনৈতিক প্রভাব টিকিয়ে রাখতে অনেক স্থানে ঘটছে হামলা-মামলার ঘটনাও। ফলে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা হচ্ছেন মামলার শিকার। দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকলেও স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিজ এলাকাতে থাকতে হচ্ছে কোনঠাসা অবস্থায়। এসব কারণে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীকদের ঢালাওভাবে ছাড় দেয়ার বিপক্ষে অবস্থান তৃণমূল আওয়ামী লীগের।

দলীয় সূত্র জানায়, বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জনের কারণে নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে বেশকিছু ছোট ছোট রাজনৈতিক দলের সাথে নির্বাচনী জোট গড়ে আওয়ামী লীগ। কৌশলগত কারণে এসব জোট শরীকদের বেশকিছু আসনে ছাড়ও দেয় দলটি। নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও সংসদকে শক্তিশালী করতে দলের এ ছাড়কে মেনেও নেয় তৃণমূল নেতাকর্মীরা। কিন্তু আওয়ামী লীগের কাছ থেকে ছাড় পাওয়া আসনে যেসব রাজনৈতিক দল সংসদে প্রতিনিধিত্ব পেয়ে লাভবান হয়েছে, সেসব আসনে ক্ষমতাসীন দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরার হয়েছে হাল ছাড়া নৌকার যাত্রীর মতো অনেকটা অসহায়। শরিক দলগুলো থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ নিজেদের ভিত্তি শক্ত করতে ও আগামী নির্বাচনেও প্রার্থীতা নিশ্চিত করতে ধীরে ধীরে নিজ দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে অভিভাবক না পেয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। সঙ্গত কারণে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর ছাড় দিতে প্রস্তুত নয় তৃণমূল আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শরিক দল থেকে হওয়া এমপিরা অনেকেই রাজনীতিতে নতুন মুখ। এলাকায়ও অপরিচিত। ঘটনা ও ভাগ্যচক্রে কেউ কেউ এমপি হয়েছেন। জোটের কারণে ছাড় দিয়ে এমপি বানানো হলেও তারা এখন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে ন্যূনতম সম্পর্ক রাখছেন না। ফলে বঞ্চিত নেতারা এবার ছাড় না দিতে বদ্ধপরিকর। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের এমপি ২৩৪ জন। আওয়ামী লীগের শরিক জোট ওয়ার্কার্স পার্টির ছয়জন, তরীকত ফেডারেশনের দুজন, জাতীয় পার্টি-জেপির দু’জন। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির ৩৪ জন, বিএনএফের একজন এবং স্বতন্ত্র ১৬ জন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির ১৮ জন এমপি প্রথমবারের মতো নির্বাচিত। কেউ কেউ নির্বাচনী এলাকায় কোনো পদ-পদবিতেও নেই। আবার জোটের অন্য শরিকরা নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচিত হলেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে ন্যূনতম সম্পর্ক নেই। প্রয়োজনেও কাছে পান না স্থানীয় এমপিকে।

জানা যায়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জোট শরীকদের আসনগুলোতে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। তারা দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকাগুলোতে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে। নিয়মিত বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক কর্মকা-ে অংশ নিচ্ছেন। করছেন উঠোন বৈঠক। অব্যাহত রেখেছেন নেতাকর্মীদের আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতাও।

আওয়ামী লীগের মাঠপর্যায়ের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত সংসদ নির্বাচনে জোটের কারণে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা ছাড় দিলেও দল হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এমপিরা নিজ নিজ দলকে শক্তিশালী এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নির্যাত করছেন। কোনো কোনো এমপির ইন্ধনে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তারা মামলাও করছেন। ক্ষমতা নিভর্রতা ও চাওয়া-পাওয়ার নীতিতে তৃণমূলে আওয়ামী লীগের কেউ কেউ সংশ্লিষ্ট এমপির দলে ভিড়ছেন বলে খবর রয়েছে।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের এক নম্বর সংসদীয় আসন পঞ্চগড়-১ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকার টিকিট পেয়েছিলেন তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজাহারুল হক প্রধান। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছিলেন। কিন্তু মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ মুহুর্তে দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশে তা প্রত্যাহার করে নিতে হয়। মূলত জাতীয় পার্টির সাথে আসন রফার কারণে কপাল পোড়ে প্রধানের। এ আসনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন জাতীয় পার্টির আবু সালেক ও মশাল মার্কা নিয়ে জাসদের নাজমুল হক প্রধান। এবার এই আসনে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাবেক এমপি প্রধান। এবার জোট প্রার্থীদের ছাড় দিতে নারাজ তিনি।

একইভাবে সাতক্ষীরা-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান শেখ নুরুল ইসলাম। কিন্তু জোটের কারণে তাকে ছাড় দিতে হয়। ওই আসনে নৌকা নিয়ে নির্বাচন করেন ওয়ার্কার্স পার্টির মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। এ আসনে এবার শেখ নুরুল ইসলাম জোর প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। শুধু মজাহারুল হক প্রধান বা শেখ নুরুল ইসলামই নয়, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘গ্রহণযোগ্য’ করতে জোটের প্রার্থীদের কারণে বঞ্চিত হওয়া নেতারা এবার ছাড় দিতে নারাজ। নারায়নগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসন ২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। এলাকার রাজনীতিতে নতুন মুখ লিয়াকত হোসেন খোকা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের নতুন প্রার্থী কায়সার হাসনাত। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনে এবার মনোনয়ন পাওয়ার আশায় নিয়মিত এ আসনের এপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে নৌকার পক্ষে গণসংযোগ করে যাচ্ছেন।

এরইমধ্যে তৃণমূলের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদি-পাকুন্দিয়া) আসনের এবার দলের প্রার্থী চায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (জাতীয় পাটির প্রভাবশালী নেতা) নৌকার মনোনয়ন পান অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নানাভাবে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হতে থাকেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এমন কি অনেকের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মামলাও করা হয়। সর্বশেষ একাদশ নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মরহুম মুক্তিযোদ্ধা বজলুল রহমান কমা-ারের ছেলে ড. জায়েদ মো. হাবিবুল্লাহ উপর হামলা চালানো হয়। নির্বাচনে নামার কারণে গত ৮অক্টোবর কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মোটরবহর নিয়ে যাওয়ার পথে আচমিতা মহাসড়কে এমপি অডভোকেট সোহরাব উদ্দিন গ্রুপ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ উপর হামলা করে। এতে ড. জায়েদ মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহসহ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৬জন এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। এর আগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস পান্নার উপর হামলা চালানো হয়।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে জোরালো প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে মাঠ দখলে রেখেছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুক্তিযোদ্ধা শেখ কবির আহমেদ। তিনি ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর মনযোগ কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। ওই আসনটিতে দশম নির্বাচনে মহাজোটের হয়ে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হন সরকারের শ্রম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মজিবুল হক চুন্নু। তবে এবার তাকে ছাড় দিতে নারাজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ। ঢাকা-৪ আসনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান তৎকালীন এমপি অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম। কিন্তু দলের নির্দেশে তাকে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে দূরে থাকতে হয়। এখানে আওয়ামী লীগের পূর্ণ সমর্থন নিয়ে লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করেন জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা।

তবে এবার এই আসন জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ ঢাকা-৪ আসনের তৃণমূলের সেবক হিসেবে পরিচিত, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক লুৎফর রহমান চেয়ারম্যান সক্রিয় রয়েছেন। তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে ভোট চাইছেন নৌকায়। লিফলেট, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন সরকারের উন্নয়ন চিত্র। পথসভা, উঠান বৈঠক করছেন নিয়মিত। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমঝোতার কারণে জাতীয় পার্টিকে ঢাকা-৬ আসনটি ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ।

এতে নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ। তবে গত চার বছরে ফিরোজ রশীদের কর্মকা-ে সন্তুষ্ট নয় স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী। তারা আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চায়। ফলে এবার এই আসনে নৌকা নিয়ে নির্বাচনের ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লাভলু।

সরকারের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরে প্রতিদিনই গণসংযোগ করছেন তিনি। গত সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে আওয়ামী লীগ কাউকে প্রার্থী করেনি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। কিন্তু রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত গুলিস্তান, পল্টন, মতিঝিল এলাকার এই আসনটি এবার অন্য দলকে দিতে নারাজ দলটির নেতাকর্মীরা। এ আসনে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট মাঠে রয়েছেন।

একইভাবে গত দশম সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী দেয়নি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্য আসনটি প্রথমে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর এরশাদ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলে বিএনএফের আবুল কালাম আজাদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আবুল কালাম আজাদের পক্ষে ভোট করেন। কিন্তু এবার তারা দলীয় প্রার্থী চান ঢাকার ভিআইপি এই আসনে।

এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন দলের জাতীয় কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা ওয়াকিল উদ্দিন। বরিশাল-৩ আসনে বর্তমান এমপি ওয়ার্কার্স পার্টির টিপু সুলতান। জোটের কারণে বিগত নির্বাচনে ছাড় দিলেও এবার ছাড় দেবে না স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন একাধিকজনের নাম।

এর মধ্যে যুবলীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ড. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে এমপি হন তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব এমএ আউয়াল। এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জোর প্রচারণায় নামছেন। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম, রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট শফিক মাহমুদ পিন্টু ও সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন খান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ