প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘র‌্যাব ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করেছে’

আবু বকর : ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে র‌্যাব গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করেছে। আমাকে শাস্তি দিতে পারছে না বলেই, এই কেন্দ্রটার উপরে, প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করেছে তারা। এটা একটা প্লান। আমি একজন স্বাধীন নাগরিক। আমার রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার থেকে আমি ঐক্যফ্রন্টের সাথে যুক্ত হয়েছি। গতকাল শনিবার ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলতাফুন্নেসা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই প্রতিষ্ঠান থেকে ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১০ বছর পূর্বেই অবসর গ্রহণ করেছেন। তিনি গণস্বাস্থ কেন্দ্রে নৈমিত্তিক কোন কাজের সাথে সম্পর্কিত নন। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সাত জনের একজন ট্রাস্টি মাত্র। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাষ্ট পরিচালিত প্রতিষ্ঠান সমুহের উপর পরিকল্পিত অভিযান, জেল জুলুমের ভয় দেখিয়ে নগদে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা হিসাবে আদায় করেছে। তৎসঙ্গে ভূমি প্রতারক মোহাম্মদ আলী, নাসির, সৈয়দ সেলিম, আমিনুল ইসলাম ও কাজী রবদের পুলিশের সহায়তায় আক্রমণ, হামলা ও মামলার ন্যাক্কারজনক ঘটনায় দেশের বিবেকবান মানুষ হতবাক। মূলত ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগদানের কারণে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সহায়তায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর এসব আক্রমন, হামলা মামলা হচ্ছে।

রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় সেখান থেকে সরে দাঁড়াবেন কি না- সাংবাদিকদের প্রশ্নে জাফরুল্লাহ বলেন, “আমি কেবল সাতজনের একজন। আর কীভাবে সরে আসব?”

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলার বিষয়টি উঠেছে কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “সেভাবে হয়নি। প্রধানমন্ত্রী সবকিছুই জানেন। আমি কেবল বলেছি, আপনার বাবা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ৩১ একর জমি দিয়েছেন। আপনি ১৪ একর জমি দিলেও তার দখল পাইনি।”

আরেক প্রশ্নে জাফরুল্লাহ বলেন, “চাটুকার যারা, তারা এই হামলার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে বিপদে ফেলেছে। তারা কি তার সুনাম বাড়িয়েছে?”

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলার পর মামলা করতে গেলেও সেই মামলা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম শিশির। তিনি বলেন, আমরা বৃহস্পতিবার সাভার থানায় তিনটি মামলা ফাইল করেছি। তারা রেকর্ড করেনি। এই পর্যন্ত একটি মামলা হয়েছে। আরও দু’টি হবে। থানায় মামলা না নিলে আমরা আদালতে যেতে বাধ্য হব। সম্পাদনা : হুমায়ুন কবির খোকন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ