প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারকেই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে হবে : মির্জা ফখরুল

সৌরভ নূর : সংলাপ শেষে সংলাপের ফলাফল নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের মূল শরীক বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন, ‘তাঁরা সন্তুষ্ট হতে পারেননি’। তারপরেও এই সংলাপকে ব্যর্থ বলতে রাজি নন তাঁরা।

এ প্রসেঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সংলাপে সমাধান না হলেও  আমরা সরকারের কোর্টে বল দিয়েছি, এখন সরকারকেই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার সংবিধানের বাইরে যাবে না বললেও এটাও বলেছে, এ নিয়ে আবার আলোচনা হতে পারে। তিনি আরো বলেন, আমাদের মূল বিষয়টা ছিলো, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের জন্য একটা নিরপেক্ষ সরকার। এ ব্যাপারে কোনো প্রতিশ্রুতি আসেনি সরকারের পক্ষ থেকে। বরং বলা হয়েছে ‘সংবিধান অনুযায়ীই সবকিছু হবে’।তবে আমরা আশাবাদী, আমার মনে হয় আবার আলোচনা করবেন । নাহলে মানুষের মাঝে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিয়ে প্রত্যাশার সমাধান হবে না।

বিএনপি এই সংলাপকে ব্যর্থ বলছে না কেন? জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, যদিও সংলাপে আমাদের দাবিগুলো কার্যত নাকচ করে দেয়া হয়েছে। তারপরেও সংলাপ যে একেবারেই ব্যর্থ হয়েছে, সেটা বলা যাচ্ছে না। কেননা সরকার আলোচনার পথ খোলা রাখতে চাইছে বলে মনে হয়। এখনই এটাকে ক্লোজ করা ঠিক হবে না। এই আলোচনার ব্যাপারটা আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বলছি। শেষ সময়ে এসে তাঁরা জবাব দিলেন, এগিয়েও এলেন, যখন সময় খুবই কম। সেক্ষেত্রে সরকারে দায়িত্ব হবে তফসিল ঘোষণার সময় পিছিয়ে দেয়া।

এদিকে আরও কয়েকটি দলের সাথে সংলাপ শেষে ৮ নভেম্বরের পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তাই তফসিল ঘোষণা পিছিয়ে দেয়ার দাবিকে এখন সামনে আনতে চায় বিএনপি। তারা ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকেই তফসিল ঘোষণা পিছিয়ে তাদের মূল দাবিগুলোর সমাধান চান। একইসাথে বিএনপি তাদের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে ৬ নভেম্বর ঢাকায় জনসভা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার কথাও বলেছে।– বিবিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ