Skip to main content

জমির ভুয়া বায়নাপত্র তৈরি প্রতারক চক্রের মূল হোতা গ্রেফতার

সুজন কৈরী: রাজধানী থেকে জমির ভুয়া বায়নাপত্র তৈরি প্রতারক চক্রের মূল হোতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতারকৃতের নাম- মো. শহিদুল ইসলাম ওরফে মো. শহীদুল্লাহ (৫৫)। শনিবার পিবিআই জানায়, বৃহস্পতিবার গুলশান পিংক সিটি মার্কেটের সামনে থেকে শহিদুলকে গ্রেফতার করে পিবিআই এর এসআইএন্ডও, অর্গানাইজড ক্রাইম টিমের সদস্যরা। শহিদুলের বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনির উত্তর রমজানপুরে। এছাড়া এর আগে সুভাষ মজুমদার (৫৭) নামে চক্রের আরো একজন সদস্যকে গ্রেফতারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। পিবিআই জানায়, গ্রেফতারের সময় শহিদুলের কাছ থেকে জমির একাধিক বায়নাপত্র দলিল বা চুক্তিনামা দলিল, জমির ভুয়া কাগজপত্র, ব্যাংকের চেক বই, পাসপোর্ট, প্রাইভেট জীপ, ৭টি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন অপারেটরের সীম ১২টি, কম্পিউটার হার্ড ডিস্ক, একাধিক ট্রেড লাইসেন্স ও প্রতারণায় ব্যবহৃত ম্যাজিক ডলার উদ্ধার করা হয়। সংস্থাটি থেকে জানানো হয়, ২০১৪ সালে প্রতারক চক্রটি ভুয়া জমির মালিক ও ক্রেতা সেজে ভুয়া নাম পরিচয় ব্যবহার করে জমি বিক্রির কথা বলে ধানমন্ডির সিটি জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মো. রেজাউল করিমের কাছ থেকে দুই দফায় জমির বায়না মূল্য বাবদ মোট ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে। ২০১৪ সালে দায়েরকৃত এমন প্রতারণার একটি মামলার পুনঃতদন্ত করতে গিয়ে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পায় পিবিআই। তদন্তে বেরিয়ে আসে এই প্রতারণা চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী ছিল শহিদুল। পিবিআইর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এমন প্রতারণা করছে। তারা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের টার্গেট করে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছে থেকে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। ভুয়া নাম ঠিকানা ব্যবহার করায় প্রতারণার শিকার কেউই তাদেরকে খুঁজে পায়না এবং এভাবেই তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অন্যান্য সংবাদ