প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোববার প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিবে কওমি আলেমরা

মো.ইউসুফ আলী বাচ্চু: কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসের (তাকমীল) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান স্বীকৃতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেবে কওমিপন্থী ৬টি বোর্ড নিয়ে গঠিত আল-হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ (হাইয়াতুল উলইয়া)।

রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাইয়াতুল উলইয়ার বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা ও বোর্ডের পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়া হবে। সকাল ৯ টায় সোহরায়ার্দী উদ্দ্যানে সনদের স্বীকৃতির জন্য শুকরিয়া মাহফিলের এ আয়োজন ।

ইতোমধ্যে সারাদেশ থেকে ঢাকায় আসছে কওমি আলেম ও শিক্ষার্থীরা। এ উপলক্ষে চলমান জেএসসি ও জেডিসি, এর আজকের পরীক্ষা স্থগিত করে আগামী ৯ নভেম্বর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য গত ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘কওমি মাদ্রাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিসের (তাকমীল) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান আইন, ২০১৮’ পাস হয়।

গত ২২ অক্টোবর সন্ধ্যায় গণভবনে আহমদ শফীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংবর্ধনার বিষয়ে আলাপ করেন এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেন।

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক জুবায়ের চেীধুরী এ প্রতিবেদকে বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের চাওয়া ছিল ‘কওমি মাদ্রাসাসমূহের স্বীকৃতি। অনেক সরকার এসেছে এবং গেছে কিন্তু আমাদের চাওয়া পূরণ হয়নি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আমাদের চাওয়া পূরণ করেছে এজন্য আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য এই আয়োজন করেছি।
নিরাপত্তা সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক জুবায়ের চৌধুরী বলেন,এটা প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান, এখানের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাষ্টের। তার পরে আমাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। তিনি আরো যোগ করেন, ঢাকার বাহির থেকে যারা আসবে প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব খরচে এ সমাবেশে যোগদেবে।
এ প্রসঙ্গে মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী স্বীকৃতি দিয়েছেন, সেজন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে এ আয়োজন। শুকরিয়া আদায় করতে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি জানান, এ কারণে আল হাইআতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এরই মধ্যে বৈঠক করেছে। আল হাইআতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত ৬ বোর্ডের কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠককে প্রধানমন্ত্রীকে অনুষ্ঠান করে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে ১৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। আল হাইআতুল উলইয়ার সারাদেশের মাদ্রাসাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছে।
নির্বাচনের আগে এমন একটি সমাবেশ ওকানো প্রভাব ফেলবে কি না জানতে চাইলে আল্লামা মাসঊদ বলেন, এটি নির্বাচনী সমাবেশ নয়। প্রধানমন্ত্রীকে এই কওমি মাদরাসার জন্য নজীরবিহীন একটি কাজ করেছেন। যা ইতোপূর্বে কেউই করেনি। আমরা তাকে শুকরিয়া জানাতেই একত্র হবো। আমরা আশা করছি দশ লাখেরও বেশি মানুষ শোকরানা মাহফিলে উপস্থিত হবেন। ১৭ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন মাওলানা আশরাফ আলী, মুফতি রুহুল আমীন, মুফতি ওয়াক্কাস, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মুসলেহুদ্দীন রাজু, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি নুরুল আমিন, আবদুল হালিম বোখারী, মাওলানা আরশাদ রাহমানী, মুফতি মুহাম্মদ আলী, মাওলানা আবদুল বছির।

সম্পাদিত-মাহবুব আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ