Skip to main content

২০৩০ সাল নাগাদ সৌদিতে সিনেমায় আয় দাঁড়াবে দেড়’শ কোটি ডলার

রাশিদ রিয়াজ : পিডব্লিউসি মিডিল ইস্টের নতুন এক জরিপ বলছে সৌদি আরবে সিনেমা দর্শক বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্রুত ২ হাজার ৬’শ সিনেমা স্ক্রিন পর্যায়ক্রমে চালু হতে যাচ্ছে। আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে অন্তত হাজার খানেক সিনেমা স্ক্রিন চালু হচ্ছে। আর ২০৩০ সাল নাগাদ সৌদিতেই সিনেমা খাতে আয় হবে দেড়’শ কোটি ডলার। ওই সময়ে সৌদি জনসংখ্যা সাড়ে ৩৯ মিলিয়ন দাঁড়াবে এবং প্রতি ১ লাখ মানুষের জন্যে ৬টির বেশি সিনেমা স্ক্রিন থাকবে। আরব বিজনেস এমএএনএ সিনেমা ফোরামে পিডব্লিউসি’র কর্মকর্তা ড. মার্টিন বার্লিন বলেন, অচিরেই সৌদিতে ৩৭০টি নতুন সিনেমা হল নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব সিনেমা হলে টিকিটের মূল্য সুলভ শ্রেণীর জন্যে ১১ থেকে ১৪ ডলার নির্ধারিত করা হলেও বিলাস শ্রেণীর জন্যে তা ধরা হয়েছে ৪০ ডলার। ২০৩০ সাল নাগাদ সিনেমা থেকেই সৌদিতে রাজস্ব আদায় হবে সাড়ে ৯’শ মিলিয়ন ডলার। আরো ৩৫ শতাংশের বিভিন্ন ধরনের কর ও ভ্যাট নিয়ে মোট আয় দাঁড়াবে সিনেমা খাতে দেড়’শ বিলিয়ন ডলার। এজন্যে পশ্চিমা বিনিয়োগকারীরা সৌদিতে সিনেমা খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বর্তমানে ১৩’শ সিনেমা স্ক্রিন চালু আছে। আগাম ৫ বছরে এ সংখ্যা ২৩’ ছাড়িয়ে যাবে। এর সিংহভাগই চালু হবে সৌদি আরবে। সৌদির ডেভলপমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট এনটারটেইনমেন্ট কোম্পানি সিনেমা খাতে ১ হাজার কোটি রিয়াল বিনিয়োগ করেছে। দুবাইয়ের মাজিদ আল ফুট্টাইম ৩৫৫টি সিনেমা স্ক্রিন পরিচালনা করছে। এ প্রতিষ্ঠানটি সৌদি আরবে আরো ৬’শ সিনেমা স্ক্রিন চালু করতে ২’শ কোটি দিনার বিনিয়োগ করেছে। নভো সিনেমাস সৌদিতে ১০টি স্থানে ১২৪টি সিনেমা স্ক্রিন পরিচালনা করছে এবং এসব স্ক্রিনে ১৯ হাজার দর্শক সিনেমা দেখতে পারেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পিডব্লিউসি দেড় লাখ সিনেমা স্ক্রিন পরিচালনা করছে এবং গত বছর প্রতিষ্টানটির আয় ছিল ৫০ কোটি ডলার যা আগের বছরের চেয়ে ৩ শতাংশ বেশি।