প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ সুগম হয়েছে

আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকি

যে লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের সাথে সংলাপে বসেছে তা বহু দূর এগিয়েছে, ও প্রত্যাশা অনেকটা পূরণ হয়েছে। সাত দফার মধ্যে দফা মূলত একটি, সব দলের অংশগ্রহণে, শান্তিপূর্ন পরিবেশে অবাদ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য  নির্বাচন করা।

এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ্য থেকে এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল শতভাগ স্বাধীনভাবে সভা-সমাবেশ করতে পারবে। কাউকে কোনো বাধা প্রদান করা হবে না ও নিয়ন্ত্রনের মধ্যে রাখা হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাইকে সহযোগিতা করবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। মামলাগুলোর ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এগুলোইতো নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ন নির্বাচনের মূল উপাদান, যেগুলো জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এতোদিন ধরে দাবি করে আসছিলো, এবং এই লক্ষেই জাতীয় এক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল। তাই বলা যায়, সংলাপের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক শান্তিপূর্ন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্র অনেক দূর এগিয়েছে।  আওয়ামী লীগের সাথে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ রাজনৈতিক জগতে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, এবং সেইসাথে  পারস্পরিক বিশ^াসের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। পারস্পরিক অবিশ^াসের যে যায়গা ছিল, বিশেষ করে ২১ আগষ্ট গ্রেনেট হামলা, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে স্থায়ী পঙ্গুত্বের সৃষ্টি করেছিল, সেই যায়গা থেকে বেরিয়ে এসেছি।

কতোটুকু পেলাম আর কতোটুকু পেলাম না, এর চেয়ে বড় কথা হলো, সংলাপে বসাটাই বড় ধরণের একটা ইতিবাচক প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এক বসাতেই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে, বা সব দাবি পূরণ হয়ে যাবে, এটা কিন্তু কেউ মনে করে না। এমন কি গণভবনে সংলাপে যারা বসেছিল, তারাও কিন্তু সেটা মনে করে না। তবে যতোটুকু অগ্রগতি হয়েছে এটা নিশ্চিই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য শান্তিপূর্ন একটা পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে বিশ^াস করি। বিশেষ করে, সংলাপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে বিভিন্ন দলের নেতারা সংলাপ সম্পর্কে যে ধরণের করেছে মন্তব্য করেছে, তাদের কথা থেকেও কিন্তু সেটারই আভাস পাওয়া যায়।

পরিচিতি : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়/মতামত গ্রহণ : লিয়ন মীর/

সম্পাদনা : ফাহিম আহমাদ বিজয়।