প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ চলবে, হচ্ছে মিনি কমিটি

সাব্বির আহমেদ : আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপের পর প্রাথমিকভাবে অনেকটা হতাশ নেতারা। তবে এখনও কিছুটা আশা জিইয়ে আছে বলে মনে করছেন জোটের নেতারা। এজন্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই আবারও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসতে চায় ঐক্যফ্রন্ট।

এবার আলোচনা হবে স্বল্প পরিসরে। কথা হবে সুপরিকল্পিত কয়েকটি বাদানুবাদ বিষয়ে। এসবের জন্য হচ্ছে একটি ছোট্ট ও বিশেষ কমিটি। যারা পরবর্তী সংলাপে নেতৃত্ব দেবেন। সংবিধানের ভেতর থেকেই সমাধান খোঁজবেন। শুক্রবার বিষয়গুলো এই প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন ঐক্যফ্রন্টের একাধিক শীর্ষ নেতা।

ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সহ-সভাপতি তানিয়া রব বলেন, সংলাপে ঐক্যফ্রন্ট কিছুটা হতাশ বটে। তবে নিরাশ না হয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কাজ চলছে। তারা সংলাপের পরবর্তী বিষয়গুলো নির্ধারণ করবেন। যেসব বিষয়ে দরকষাকষি হচ্ছে, তার সুষ্ঠু সমাধানের একটি পথ বের করবেন ওই কমিটির নেতারা। কমিটি গঠনের কাজ দুয়েকদিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। কমিটি গঠনে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের প্রাধান্য দেয়া হবে।

তিনি বলেন, সংলাপ পরবর্তী বিষয়ে আজই আবার বসতে পারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটি। যেহেতু ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি মেনে নিতে সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে সরকার, তাই সংবিধানের ভেতরেই কোন কোন বিষয়ের সমাধান সম্ভব- তা বিশ্লেষণ করে প্রধানমন্ত্রীর নিকট তুলে ধরবে ঐক্যফ্রন্টের ‘মিনি কমিটি’। এই কমিটি আবার সুনির্দিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের যৌক্তিকতার তুলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসবেন।

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনও বলেছেন, সংলাপ চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আমাদের কথাগুলো প্রধানমন্ত্রীর কানে দিয়েছি। মানবেন কি মানবেন না, সেটি উনাদের ব্যাপার। আমাদের দাবির আন্দোলন চলবেই।

তিনি বলেন, অবশ্যই সংবিধান অনুযায়ী নিরপেক্ষ নির্বাচনের সুযোগ আছে। তবে সেটি কী পদ্ধতিতে হবে, তা নির্ভর করবে আলোচনার ওপর। সবার ঐক্যমতের ওপর। সংবিধান অনুযায়ী সেনাবাহিনী রাখা যায়। আলোচনায় অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে একমত হওয়া যায়। কাজেই আমরা আশা করি, সরকার বিষয়টি ভাববে এবং ফের সংলাপে বসবে।

সংলাপে অংশ নিয়ে নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এস এম আকরাম বলেছেন, সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের ৭দফা দাবির অধিকাংশতেই সংবিধানের দোহাই দেওয়া হয়েছে। আমি মনে এসব সরকারের পুরনো ভাষ্য। আমাদের আলোচনা চলবে। সরকার বলতে চেয়েছে, নির্বাচনে সরকারি কোনও হস্তক্ষেপ বা দলীয় প্রভাব থাকবে না। এই আশ্বাসে আশ্বস্ত নয় ঐক্যফ্রন্ট। জোট বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ