প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ট্রেনের ছাদ, ইঞ্চিন-বগি, স্টেশন কোথাও ঠাই নেই তিল ধারনের!

আজহারুল হক, ময়মনসিংহ : অন্তঃনগর তিস্তা, অগ্নিবীনা ও মহুয়া ট্রেনের ছাদে তিল ধারনের ক্ষমতা নেই। শুধু ট্রেনেই নয়, গফরগাঁও রেলস্টেশনের প্লাটফরম ও স্টেশনের বাহিরে কোথাও দাড়ানোর জায়গা ছিলনা। থাকার কথা না, কারন সকাল থেকে স্থানীয় এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী, সমর্থক ট্রেনের ছাদের উপর চড়ে বসেছেন। আর যে সকল নেতা-কর্মী ট্রেনে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা পরবর্তী ট্রেনের জন্য অবস্থান নেন স্টেশনে ও স্টেশনের বাহিরে।

এভাবে আ.লীগ দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক নির্বিশেষে সাধারন মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাদাগাদি করে ট্রেনের ছাদে করে রওনা দিয়েছেন ময়মনসিংহের দিকে। উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠ। এ সময় তারা একাধারে শ্লোগান দিতে থাকেন গফরগাঁওয়ের মাটি বাবেল গোলন্দাজের ঘাটি। বার বার দরকার শেখ হাসিনা সরকার।

রেল কর্তৃপক্ষ ট্রেনের ছাদে উঠতে নিষেধ বাধা দিচ্ছে না। তাদের মতে, বিপুল পরিমাণ জনসমুদ্রের বিপক্ষে অল্পসংখ্যক পুলিশ দিয়ে বিশাল জন¯্রােত ঠেকানো অসম্ভব কাজ। তবে ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে উঠে পড়া হাজার হাজার নেতা-কর্মীদের সাবধানে যেতে বার বার সতর্কতার কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে গফরগাঁও পৌর মেয়র এস এম ইকবাল হোসেন সুমন, এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের একান্ত সচিব আ.লীগ নেতা মাসুদ হোসেন সোহেল, সাবেক পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ফরিদুল আলম সজীবসহ আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে।

শুক্রবার সকালে গফরগাঁও রেলস্টেশনে দেখা গিয়ে দেখা যায়, তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টেশনে এসে দামতেই দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থকরা ট্রেনে উঠতে শুরু করেন। ৪ মিনিটের মধ্যে ট্রেনের ছাদ, ইঞ্জিন ও বগি সব পরিপূর্ণ হয়ে যায়। স্টেশনে ও স্টেশনের বাইরে অপেক্ষায় থাকা এমন আরো হাজার হাজার নেতা-কর্মী কাঙ্খিত ট্রেনে হুড়োহুড়ি করে উঠতে ব্যর্থ হন। তখন শুরু হয় পরবর্তী মহুয়া ট্রেনের অপেক্ষা সেটিতে তিল ধারনের ঠাই ছিলনা। তখননো স্টেশনে ছিল কয়েক হাজার নেতা-কর্মী। তার পরবর্তী অগ্নিবীনা এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠার যুদ্ধ শুরু করেন।

এই ট্রেনটিও মুহুর্তেই কানায় কানায় পূর্ন হয়ে যায়। ফলে অসংখ্য নেতা-কর্মী ট্রেনে উঠতে ব্যর্থ হয়ে বিকল্প পথে ময়মনসিংহের জনসভার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হতে দেখা গেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ