Skip to main content

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ কোটি ২ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব আয়

ফরহাদ আমিন, টেকনাফ (কক্সবাজার) : কক্সবাজারের টেকনাফ স্থল বন্দরের সীমান্ত বানিজ্যে গত অক্টোবর মাসে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। তবে মাসিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়েছে। ওই মাসে মিয়ানমারের পন্য আমদানী স্বাভাবিক থাকায় রাজস্ব আদায়ও বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শুল্ক বিভাগ। শুল্ক ষ্টেশন সূত্র জানান, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের অক্টোবর মাসে ৩২৯ টি বিল এন্ট্রির মাধ্যমে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই শুল্ক ষ্টেশনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক ওই মাসে ১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ কোটি ২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এতে মায়ানমার থেকে পন্য আমদানি করা হয় ৪৫ কোটি ৮ লাখ ৯৩ হাজার টাকার। অপরদিকে ৫৮টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে ২ কোটি ২৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকার পন্য মিয়ানমারের রপ্তানি করা হয়েছে। তবে আগের তুলনায় মিয়ানমারে পন্য রপ্তানী বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া শাহ পরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে ৩ হাজার ৮৫৩টি গরু, ২ হাজার ১৩৭টি মহিষ ও ২টি ছাগল আমদানী করা হয়েছে। এতে ২৯ লাখ ৯৫ হাজার ৪০০ টাকার রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয় বলেও জানায়। গত অক্টোবর মাসে সর্তক সংকেটের কারনে সাগর উত্তাল থাকায় পন্য পরিবহনে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হয়। এই সমস্যার কারনে পন্য আমদানী-রপ্তানীতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। তবে সমস্যা কেটে গেলে সীমান্ত বানিজ্যের পন্য পুরোদমে আসতে থাকে। যার ফলে বানিজ্যে গতিশীলতা ফিরে আসেন বলে এমনটি জানালেন সীমান্ত বানিজ্য ব্যবসায়ীরা। টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা শংকর কুমার দাশ বলেন, গত অক্টোবর মাসে মায়ানমার থেকে পণ্য আমদানি স্বাভাবিক থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আদায়ও বেশি হয়েছে। ওই মাসে হিমায়িত মাছ ও কাঠ আমদানী বেশি হয়েছে। বানিজ্যের এই স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজমান থাকলে রাজস্ব আদায়ও বাড়তে থাকবে। তবে সীমান্ত বানিজ্যকে আরো গতিশীল করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।