প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাক্ষাতকারে কর্ণেল অলি
সংলাপে সমাধান দেওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়নি

সাব্বির আহমেদ : আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের দুইটি প্রাপ্তিকে মামুলি আখ্যা দিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমেদ বলেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা যে দুইটি বিষয়কে প্রাপ্তি মনে করছেন, তা আসলে কোনও প্রাপ্তিই না। সংলাপে সমাধান দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়নি। তার মতে, সংলাপের পূর্ব থেকে সরকারের মনোভাব খুবই পরিস্কার ছিল। সংলাপ আপতদৃষ্টিতে শেষ। এখন সবাই গণভবনের চা চক্রে আমন্ত্রিত। ফলাফল আসলে শূণ্য।

শুক্রবার তার নিজ বাসায় সংলাপ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় এই প্রতিবেদককে এসব কথা বলেন ড. কর্ণেল অলি আহমেদ।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের উদ্যোগটা ভালো ছিল। যার মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে খোলামেলা আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সরকার ঐক্যফ্রন্টকে সড়ক ছাড়া যেকোনো জায়গায় সভা করার অনুমতি দেওয়ার কথা বলেছে এবং রাজনৈতিক মামলার তালিকা চেয়েছে, কিন্তু এও বলেছে এসবের কোনওটাই রাজনৈতিক মামলা নয়। জোটের অনেকে ভাবছেন, এসবের মধ্যে প্রাপ্তি আছে- কিন্তু আদতে নেই। ঐক্যজোটের কোনও উল্লেখযোগ্য দাবিই সংলাপে গুরুত্ব পায়নি। সংলাপ নিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা উঁচুতে ছিল। কিন্তু তাদের আশা ধূলিসাৎ হয়েছে।

অলি আহমেদ মনে করেন, আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে। তাই বিরোধীপক্ষের হাতে সময় নেই। তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কেননা সরকার সংলাপে স্পষ্টভাবে বলেছে সংবিধান ও আইনের বাইরে গিয়ে তাদের কিছু করার নেই। সরকার বরাবরই বলেছে সংবিধান ববহির্ভূত কোনও কিছু আশা করা ঠিক হবে না। ত

ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নার এক বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মান্না নিজেই বলেছেন সংলাপের ফলাফল শূণ্য। দেখা ও কথা হয়েছে- এটাই প্রাপ্তি। সরকার সংলাপের আগেই নিজেদের কর্মপন্থা স্থির করে রেখেছে। বিরোধীপক্ষকে অসহায় মনে করছে। কিন্তু জনগণ অসহায় নয়।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে অলি বলেন, সব সময় গায়ের জোরে সব আদায় সম্ভব নয়। অনেক সময় পরিবেশও অনুকূলে থাকতে হয়। জনগণও কি চায়- সরকারকেও বুঝতে হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা বাড়ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ