প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লাভ থেকে এবার বড় লোকসানে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন

ফয়সাল মেহেদী : ওষুধ কারখানা বন্ধ করার কারণে এবার লাভ থেকে বড় লোকসানে পড়েছে বহুজাতিক কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) বাংলাদেশ লিমিটেড। চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে ওষুধ ও রসায়ন খাতের এ কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৪০ কোটি ৩৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। অথচ এর আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফার পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৮ কোটি টাকা।

লোকসানের বিষয়ে কোম্পানিটির কর্মকর্তারা জানান, কারখানা বন্ধের পর কর্মীদের পাওনা (সার্ভিস বেনিফিট) এবং অবিক্রীত ওষুধ অবচয় হিসেবে ধরে নেওয়ার কারণে হয়েছে কোম্পানিটির।

চলতি বছরের জুলাইতে হঠাৎ করে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের ওষুধ কারখানার বাণিজ্যিক উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। ওই মাসের ২৭ জুলাই কোম্পানির চেয়ারম্যান এম আজিজুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বাংলাদেশে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের ব্যবসার ৭০ শতাংশই কনজুমার হেলথ কেয়ারের। বাকি ৩০ শতাংশ ফার্মাসিউটিক্যালের। ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিটের বাণিজ্যিক কর্যক্রম বন্ধ করা হলেও গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের কনজুমার হেলথ কেয়ারের কার্যক্রম আগের মতোই চলবে।

তিনি আরও জানান, গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিট লোকসানজনক। সব ইউনিট মিলে যে মুনাফা হয়, কনজুমার হেলথ কেয়ারে মুনাফার পরিমাণ তার থেকেও বেশি। কনজুমার হেলথ কেয়ারের মুনাফা থেকে ফার্মাসিউটিক্যালের লোকসান বাদ দিয়ে মোট মুনাফা দেখানো হয়। সে হিসাবে ফার্মাসিউটিক্যাল ইউনিট বন্ধ করে দেওয়া হলেও সামনে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের মুনাফা বাড়বে।

এমন ঘোষণার পর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে কোম্পানিটির লোকসান হয় ৫৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। এতে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে লোকসান হয়েছে ৪৮.৬৪ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে মুনাফার পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি ৬৯ লাখ ৫২ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ২০.৫০ টাকা। চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসেও কোম্পানিটির মুনাফা হয় ১৮ কোটি টাকার বেশি।

এদিকে মোট ৯ মাসের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) হিসাবে লোকসান দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি ৩৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এর বিপরীতে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৩.৫০ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৪৭ কোটি ৯২ লাখ ৭ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় হয় ৩৯.৭৮ টাকা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত