Skip to main content

এম সাখাওয়াত হোসেনের মতে, বিগত নির্বাচনের চেয়ে এবারের নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং

দেবদুলাল মুন্না : এবারের নির্বাচন বিগত নির্বাচনগুলোর চেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। গত মঙ্গলবারের আওয়ামীলীগের সাথে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ বৈঠক এখন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন মাত্রা পেয়েছে। সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন মনে করেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন বেশ চাপের মুখে রয়েছে, তাতে সন্দেহ নেই। ধারণা করি, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ সামনে আরও বাড়তে থাকবে এবং চ্যালেঞ্জগুলোও হবে ১৯৯০-এর পর গঠিত যেকোনো নির্বাচন কমিশনের চেয়ে বেশি। কারণ, সংবিধানের ১২৩(৩)(ক)-এর আওতায় বিদ্যমান সরকার ও সংসদ রেখেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলো’তে এ মত ব্যক্ত করেন, ২০১১ সালের মাঝামাঝি এ টি এম শামসুল হুদা কমিশনের (আমিও যার একজন সদস্য ছিলাম) সঙ্গে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আরপিও সংশোধনের সুপারিশগুলো নিয়ে প্রায় দুই মাসব্যাপী (৭ জুন-৭ আগস্ট ২০১১) আলোচনা বা সংলাপ হয়েছিল। সংলাপ হয়েছিল সংবাদমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সঙ্গেও। মোট ৩১টি নিবন্ধিত দল অংশগ্রহণ করেছিল। সংলাপের সুপারিশে একটি ডিভিশন ও দুটি মন্ত্রণালয়ের ক্যাবিনেট ডিভিশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং তা আরপিওর আর্টিকেল ৪৪(খ)(৫) অনু-অনুচ্ছেদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করা হয়েছিল (মোট চারটি মন্ত্রণালয় ও একটি ডিভিশন)। ওপরের প্রস্তাবনার লক্ষণীয় বিষয় হলো, নির্বাচন চলার সময়ে আলোচিত মন্ত্রণালয়গুলোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে ইসির মতামত গ্রহণের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করা। এম সাখাওয়াত হোসেনের মতে, এখন বর্তমান সরকারের শরিকসহ প্রায় ১৫টি দল এর পক্ষে মতামত দিয়েছে বলে জনেছি। কাজেই বিষয়টি যে নির্বাচন কমিশনের কাছে একেবারে নতুন, তেমন নয়। বর্তমান কমিশন আয়োজিত নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনাতেও এই প্রসঙ্গে মতামত দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ২০১১ সালের সুপারিশমালায় অন্যান্য বিষয় ছাড়া আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত গৃহীত হয়েছিল। এর একটি ছিল পর্যায়ক্রমে নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার এবং আরজিও ধারা ৭৩-এ কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রমাণিত নয়। তা নিয়ে প্রতিপক্ষের যেকোনো বক্তব্যের মাধ্যমে চরিত্রহনন নিষিদ্ধকরণ: ধারা ২২(১)-এ এজেন্ট বিষয়ে বিশদ আইনি ব্যবস্থা ও বিস্তারিতভাবে প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের করণীয় ও আইনি অধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।ফলে নির্বাচন কমিশনের জন্য এবারের নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং।

অন্যান্য সংবাদ