প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যা বললেন কাদের

বাংলাদেশ জার্নাল : জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, সংলাপে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। আলোচনা অব্যাহত থাকবে। বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি।

কাদের বলেন-

১. সভা-সমাবেশ রাস্তা বাদ দিয়ে করলে বাধা দেওয়া হবে না।

২. বিদেশী পর্য বেক্ষক থাকতে পারবে কোন সমস্যা নেই

৩. ইভিএম সীমিত আকারে ব্যবহার হবে

৪. সংসদ বহাল থাকবে।

৫. কোন মামলাগুলো রাজনৈতিক তার তালিকা দিলে তদন্ত করে কি করা যায় তিনি দেখবেন।

৬. খালেদা জিয়ার রায় আদালত দিয়েছে কিছু করার নেই।

৭. নিরপেক্ষ সরকার সংবিধান বিরোধী তা আলোচনারই সুযোগ নাই।
সন্ধ্যা ৭টায় এ সংলাপ শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১০ টায় শেষ হয়। সাড়ে ৩ ঘন্টা আলাপ-আলোচনার পর ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের গণভবন থেকে বের হতে দেখা গেছে। সংলাপে আওয়ামী লীগের সাথে কী কথা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। সংলাপের ব্যাপারে ড কামাল হোসেনের বাসায় সংবাদ সম্মেলনের কথা রয়েছে।

এর আগে দশ গাড়িতে করে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসা থেকে গণভবনে যান ঐক্যফ্রন্টের ২১ নেতা। বৃহস্পতিবার ৫টা ১৫ মিনিটে গণভবনের উদ্দেশ্যে বের হন তারা। গণভবনে পৌঁছান সাড়ে ছয়টার পর।

গণভবনে শুরু হওয়া সংলাপের সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশটা আমাদের সকলের, দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে এখন সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, সবাই মিলে দেশটাকে গড়তে হবে।

তিনি বলেন, এই দেশটা আমাদের সকলের, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দেশের সার্বিক উন্নয়ন এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। দীর্ঘ নয় বছর ১০ মাস হতে চললো, এই সময়ে সরকার দেশে কত উন্নয়ন করতে পেরেছি সেটা নিশ্চয়ই আপনারা বিবেচনা করে দেখবেন। এটুকু বলতে পারি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ভালো আছে। তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দিনবদলের যে সূচনা করেছিলাম সেই দিন বদল হচ্ছে। এটাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের মহান নেতা জাতির পিতার নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আজকে সেই স্বাধীনতার সুফল যেন, প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে পারে সেটাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্যে। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংলাপে অংশ নিয়েছেন, বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সহ-সভাপতি তানিয়া রব, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, এসএম আকরাম, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডাকসু’র সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আ ব ম মোস্তফা আমিন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, গণফোরামের জগলুল হায়দার আফ্রিক, আওম সফিক উল্লাহ, মোতাব্বের খান।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংলাপে অংশ নিয়েছেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, মো. আবদুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্যাহ, রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

এছাড়া ১৪ দলের শরিক দলের নেতাদের মধ্যে থাকবেন ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাসদের একাংশের হাসানুল হক ইনু ও অপর অংশের মঈনুদ্দিন খান বাদল এবং সাম্যবাদী দলের দিলীপ বড়ুয়া।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ