প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্সনের ঘোষণায় জাতিসংঘের শঙ্কা

আসিফুজ্জামান পৃথিল : রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার চুক্তির বিষয়ে নিজেদের শঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ। বিশ^সংস্থাটি জানিয়েছে তাদের সাথে এ বিষয়ে কোন রকমের আলোচনাই করেনি দেশদুটো।
বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সরকারি কর্মকর্তারা এ সপ্তাহে ঘোষণা দেন তারা গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিভৎস আক্রমনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে একটি শক্তিশালী চুক্তি সম্পাদন করেছেন। মধ্য নভেম্বরে শুরু হবে এ প্রত্যাবাসন। বুধবার মিয়ানমারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন তারা এখন পর্যন্ত ৫ হাজার শরণার্থীকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রথম দফায় এদের মধ্য থেকে ২ হাজার জনকে ফেরত নেওয়া হবে। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতারেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক জানিয়েছেন, এ চুক্তির ঘোষণায় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) চমৎকৃত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘পরিস্কার ভাবে বললে, ইউএনএইচসিআর, যারা শরণার্থী বিষয়ক যে কোন ইস্যুতে নেতৃত্ব দেয়, তাদের কাছে এ বিষয়ে কোন পরামর্শ নেওয়া হয় নি।’ এ বিষয়ে প্রায় একই রকম কথা বলেছেন কক্সবাজারে নিযুক্ত ইউএনএইচসিআর এর জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা ক্রিস মেলজার। তিনি বলেন, ‘ইউএনএইচসিআর এ চুক্তির কোন পক্ষ নয়। আমাদের পরামর্শ হলো প্রত্যাবর্সনের ক্ষেত্রে কোন সময়সীমা না রাখা। যতদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত না হবে, ততদিন মিয়ামারে তাদের ফেরানো ঠিক হবে না। কাদের নেওয়া হবে তা রোহিঙ্গাদের কাছে পরিস্কার নয়। এটি পরিস্কার হতে হবে। এই প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বপ্রনোদিত। কারেও ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। এটি জটিল প্রক্রিয়া। এ ধরণের প্রক্রিয়ায় তাড়াহুড়া সমিচিন নয়।’
লাখো রোহিঙ্গা এক বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে বসবাস করছেন। মিয়ানমারে তারা হত্যা, ধর্ষণ অগ্সিসংযোগের শিকার হয়েছে। গত জুনে মিয়ামারের সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেখানে তাদের নিরাপত্তা প্রদান, অবাধে চলাচলের স্বাধীনতা এবং নাগরিকত্বের পথ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ