প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধিতে ভারতের উৎসবের কেনাকাটায় নেতিবাচক প্রভাব

নূর মাজিদ : আন্তর্জাতিক স্বর্ণ সংস্থা- ডব্লিউজিসি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ২০১৮ সালে ভারতের উৎসবকালীন বাজারে স্বর্ণের বেচাকেনা কম হবে। মূলত ডিসেম্বরের প্রান্তিকে ভারতের উৎসবকালীন বাজারে স্বর্ণ বিক্রি কম হওয়ার আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। গতকাল বৃহ¯পতিবার সংস্থাটি এমন আশংকা ব্যক্ত করে। সংস্থাটি জানায়, দেশটির স্থানীয় বাজারে চাহিদার প্রেক্ষিতে বিগত ৫ বছর ধরেই স্বর্ণের মূল্য উর্ধমুখী অবস্থানে রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশটির দশেরা এবং দিওয়ালি উৎসবে দেশটিতে স্বর্ণের কেনাবেচা কম হবে। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ স্বর্ণের বাজার, তবে ইতোমধ্যেই চলতি বছর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের মূল্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। তবে ভারতের বাজারে রপ্তানি কমলে পণ্যটির দর আরও কমে যাবার পূর্বাভাষ দিয়েছে ডব্লিউজিসি। তবে স্বর্ণের আমদানি কম হওয়া ভারতীয় মুদ্রার দরপতন রোধে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। এতে দেশটির আমদানি ও রপ্তানির মাঝে যে ঘাটতি রয়েছে তা হ্রাস পাবে। ২০১৭ সালে ৭৭১ দশমিক ২ টন স্বর্ণ আমদানি করে ভারত। ভারতীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, চলতি বছর শেষে ভারতের মোট স্বর্ণ আমদানির পরিমাণ ৭শ থেকে ৮শ টনের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

তবে বছর শেষের কেনাবেচা ভারতের সারা বছরের স্বর্ণের চাহিদার প্রধানতম নির্ধারক। এই সময় দেশটিতে বিয়ের মৌসুম চলে। এছাড়াও দশেরা, দিওয়ালি, দুর্গাপূজা ইত্যাদি উৎসবে স্বর্ণের অলংকার পরিধান করা স্থানীয় সংস্কৃতিতে শুভচিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দেশটির স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই বছর স্বর্ণের কেনাবেচা মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছে। স্থানীয় বাজারের স্বর্ণের দরবৃদ্ধি, রুপির দরপতন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবার ভারতের উৎসবের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বর্তমানে ভারতের স্থানীয় বাজারে প্রতি ১০ গ্রাম স্বর্ণের মূল্য ৩৩ হাজার রুপি, যা ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের পর দেশটির স্থানীয় বাজারে সোনালী ধাতুটির সর্বাধিক দর। মূলত, ডলারের দরবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ভারতীয় মুদ্রার দরপতন দেশটির আমদানিকৃত স্বর্ণের দরবৃদ্ধির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রয়টার্স

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ