প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সড়ক দূর্ঘটনা বন্ধে ডিএমপি ট্রাফিক ও করপোরেশনের কর্মসূচি
ফুটওভার, রোড মার্কিং, জেব্রাক্রসিং, স্পীড ব্রেকার আর কারপার্কিং

সুজিৎ নন্দী : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ এবং দুই সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক বিভাগের উদ্যোগে নিরাপদ সড়কের জন্য রাজধানীতে কাজ শুরু হয়েছে। পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের পরামর্শে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য ফুটওভার, রোড মার্কিং, জেব্রাক্রসিং, স্পীড ব্রেকার আর কারপার্কিয়ের কাজ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ইতোমধ্যে প্রধান সড়কে রোড মার্কিং, জেব্রাক্রসিং, স্পীড ব্রেকার ও অন্যান্য সাইন অংকনের কাজ চলছে। ৬২টি স্থানে ট্রাফিক সাইন (পথচারি পারাপার ও গতিরোধক) নির্মাণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক বিভাগের তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, নিরাপদ সড়কের জন্য এটি আমাদের চলমান কাজ। দিন-রাত ২৪ ঘন্টা কাজ চলছে। মাসের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। এবং পুরোমাসের কাজ সরেজমিনে মেয়রের নেতৃত্বে পরিদর্শন করা হয়।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, রাস্তা প্রশস্ত হলেও যার প্রাথমিক কর্মকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এই কাজের মধ্যে সাবেক হোটেল শেরাটন থেকে মৎস ভবন পর্যন্ত ১১টি ট্রাফিক সাইন, মালিবাগ থেকে ভিকারুন্নেসা স্কুল পর্যন্ত ১২টি ট্রাফিক সাইন, শহিদুল্লাহ হল থেকে হাটখোলা পর্যন্ত ১৭টি ট্রাফিক সাইন এবং আইডিয়েল স্কুল থেকে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল হাসপাতাল বার্ন ইউনিট পর্যন্ত ২২টি ট্রাফিক সাইন স্থাপনের কাজ প্রাথমিক ভাবে শেষ হয়েছ্।ে এতে করে রাজধানীতে সড়ক দূর্ঘটনা অনেকাংশে কমে যাবে বলে জানান ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের প্রকৌশল (যান্ত্রিক) বিভাগের উদ্ধতন কর্মকর্তারা। ঢাকা মেট্রোপলিটন ট্রাফিকের উদ্ধতন কর্মকর্তা জানান, নগরীতে যে ভাবে রাস্তা প্রশস্ত করা হয়েছে সে অনুপাতে রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে রোড মার্কিং, জেব্রাক্রসিং, স্পীড ব্রেকার ও কার পাকিং করার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা কমতে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এর পরিমান আরো কমবে বলে জানা যায়।

সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে স্পীড ব্রেকার বড় একটি ভ’মিকা রাখতে পারে বলে জানান প্রকৌশল বিভাগ। ইতোমধ্যে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নীচের রাস্তা, রোকেয়া হল-টিএসটি হয়ে শাহবাগ, শহীদ মিনার হয়ে পলাশী-দোয়েল চত্বর-বাংলা একাডেমি-ঢাকেশ্বরী মন্দির, ঢাকা ক্লাব-শিশুপার্কের সামনে স্পীড ব্রেকার সড়ক দুর্ঘটনা বড় ভ’মিকা রাখে। এর পাশাপাশি ধানমন্ডি-২৭, সিটি কলেজ, একুশ হল-শিক্ষাভবন থেকে নগরভবন প্রধানগেট-আনন্দবাজার পর্যন্ত নতুন ভাবে স্পীড ব্রেকারের কাজ হচ্ছে।

নগরীতে প্রায় ১ হাজার ৩০টি গাড়ি কারপার্কিয়ের জন্য বরাদ্দ হয়েছে। এগুলো পুরোপুরি চালু হলে মতিঝির এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনা ও যানজট অনেকাংশে বন্ধ হবে। এর মধ্যে মতিঝিল ২৪তলা বিল্ডিং-আলিকো বিল্ডিং, জিপিও থেকে আজাদ প্রোডাক্টস, পলওয়েল, মতিঝিল-এজিবি কলোনী, হলিফ্যামিলি হাসপাতাল-নেভি হেডকোয়াটার, নিউমার্কেট উত্তর-১ নং গেট থেকে পশ্চিমগেট, বাটা সিগনাল-গাউসিয়া এবং পলাশী মোড়-নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত কারপার্কিং রং করার কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে।

সম্পাদনা : আলম

সর্বাধিক পঠিত