প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বড়লেখায় নিখোঁজের ২ দিন পর কলেজ ছাত্রের রহস্যজনক লাশ উদ্ধার

স্বপন কুমার দেব, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নিখোঁজের দুই দিন পর বুধবার বসত বাড়ির পরিত্যক্ত রান্না ঘরের জানালার গ্রিলের সাথে মুখ বাঁধা ও দাড়ানো অবস্থায় প্রান্ত দাস নামে এক কলেজছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সে বর্নি এম. মন্তাজিম আলী কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বষের্র ছাত্র। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা এ নিয়ে এলাকায় জল্পনা-কল্পনা চলছে। নিহতের বড়ভাই শুভ দাসের দাবি পরিকল্পিতভাবে তার ছোট ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) মো. আবু ইউসুফ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামের সনত চন্দ্র দাসের ছেলে প্রান্ত দাস (১৯) প্রায় ৬ বছর ধরে বর্নি ইউনিয়নের নয়াগ্রাম (মিহারী) গ্রামে মামা মৃত করুণাময় দাসের বাড়িতে মামাতো ভাই সুমন দাসের পরিবারের সাথে বসবাস করছে। এখানে থেকে সে বর্নি এম. মুন্তাজিম আলী কলেজে পড়াশুনা করে আসছে।

মামাতো ভাই সুমন দাস জানান, সোমবার রাতের খাবারের জন্য প্রান্ত দাসকে ডাকতে গিয়ে তাকে ঘরে পাননি। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজেও তার কোন সন্ধান মিলেনি। পরে প্রান্ত দাসের বড়ভাই শুভ দাসকে নিয়ে দুইদিন স্বজনদের বাড়িতেও খোঁজাখুজি করে। বুধবার সকালের দিকে পাশের বাড়ির দুই শিশু বসতঘরের পাশের পরিত্যক্ত রান্নাঘরের দক্ষিণের জানালার গ্রিলের সাথে মুখ বাঁধা দন্ডায়মান অবস্থায় প্রান্ত দাসের লাশ দেখে তারা চিৎকার দেয়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশে খবর দেয়।

নিহত প্রান্ত দাসের বড়ভাই শুভ দাস জানান, ২ দিন ধরে তার ভাইয়ের কোন খোঁজ পাননি। তিনি অভিযোগ করেন, কেউ পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা করে রাতের আঁধারে জানালার গ্রিলের সাথে মূুখ বেধে রেখে গেছে। তিনি তার ভাইয়ের হত্যাকারীদের খোঁজে বের করার জন্য পুলিশের নিকট দাবি জানান।

লাশের সুরতহাল প্রস্তুতকারী বড়লেখা থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম জানান, নিহত প্রাপ্ত দাসের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আত্মহত্যা নাকি হত্যাকান্ড তা ময়না তদন্ত রির্পোট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ