প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সংলাপ অস্থিরতার মাঝে শান্তির বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে : ইকবাল সোবহান চৌধুরী

হ্যাপি আক্তার : নির্বাচনে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, সংলাপের উদ্যোগে সে অনিশ্চয়তা দূর করছে। অপর দিকে এই সংলাপ দেশের মানুষের মধ্যে একটি শান্তির বার্তা নিয়ে পৌঁছে দিচ্ছে। যমুনা টেলিভিশনে ‘রাজনীতি’ টকশোতে এসব কথা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।

তিনি বলেন, এই সংলাপের মধ্য দিয়ে সকলেই মনে করছে আগামী নির্বাচন সকল রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করবে তার সাথে সহিংসতার সম্ভাবনা অনেক কমে যাচ্ছে। কারণ সরকার ও বিরোধী দল সকলেই যখন এক সাথে টেবিলে বসবে তখন সংলাপের মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধানের আভাস প্রত্যাশা করছে জনগণ।

সংলাপের প্রত্যাশায় দেশ উন্মুখ হয়ে আছে উল্লেখ করে ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে  মানুষের মনের যে আশংকা ও অনিশ্চিয়তা ছিলো তা অনেক কমে গেছে । ২০১৪-২০১৫ সালে নির্বাচনকে ঘিরে যে সহিংসতা, অগ্নি সংযোগ ও হত্যাকাণ্ড হয়েছে তা আবার হবে কিনা এবং সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে কিনা এমন পরিস্থিতিতে সংলাপে বসার বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন।

সংলাপ ছাড়া অন্য কোনো কিছুর বিকল্প নেই। সংলাপের মধ্য দিয়েই রাজনৈতিক ও অন্যান্য বিষয়ে যে ইস্যু আছে তার একমাত্র সমাধান হলো সংলাপ এমনটিই মনে করছেন তিনি।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংলাপের উদ্যোগ নেওয়ার ফলে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, তিনি শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন করতে চান না। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন কিন্তু বিএনপি সে সংলাপে সাড়া না দিয়ে সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছিলো।

বিএনপি’র সাথে সরকার সংলাপ করছে না বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের সাথে সংলাপ করবে সরকার। যেখানে বিএনপি একটা শরীক দল।

সংলাপে বিদেশিদের চাপ প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বিদেশিরা তো আমাদের জাতীয় সমস্যা সমাধান করতে পারবে না। জনগণকে সাথে নিয়েই আমাদের নেতৃবৃন্দকেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। দেশের মানুষ মনে করে সংলাপের বিকল্প নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ