প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সংলাপে কী সমাধান মিলবে? যা বলছেন রাজনৈতিক নেতারা

কান্তা আইচ রায় : আজ সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের কয়েকজন শীর্ষ নেতা গণভবনে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। রাজনীতিবিদরা মনে করছেন, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির আহ্বানে ক্ষমতাসীনদের ইতিবাচক সাড়ায় দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক স্থবিরতা কাটবে। যদিও মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে এর সফলতা নিয়ে।

এমনই ইতিবাচক ছিলো সরকারের পক্ষ থেকে সংলাপের সাড়া পেয়ে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে বিএনপি নেতৃবৃন্দের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াটা। কিন্তু তা হতাশায় পরিণত হতে দেরী হয়নি, মাত্র একদিন পরই বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দুই দুইটি রায়ে ।

বিএনপি নেতৃবৃন্দ হতাশ হলেও ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্যরা এখনই হতাশ হতে চান না।

ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন,‘আমদের আশাবাদী হতে হবে। এখনই পর্যন্ত আশাবাদী হওয়ার মতো কারণ আছে যে সংলাপ হচ্ছে। সরকারকে আমরা আহবান জানাবো ভালভাবে ভেবে যাতে সমাধান করা যায়, এমনভাবে সংলাপটা পরিচালনা করতে।’

ঐক্যফ্রন্টের বাইরে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও তফসিলের আগে সরকারের এমন মনোভাবকে স্বাগত জানিয়েছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক সংকট সমাধানের পূর্বাভাস হিসেবেই দেখছেন তারা।

বিকল্পধারা মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান বলেন, ‘সংঘাত যদি আমাদের সঙ্গে সরকার, বিরোধী দলের সঙ্গে হয়, এতে জনগণ কষ্ট পায়। সেখানে আমি মনে করি সংলাপ সহজ এবং ভাল উপায়।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘খুব সম্ভবত আর কোন নেতা এত দূর চলে যাবার পরে সংলাপে সারা দিতে সাহস করতেন না। এটা রাজনৈতিক জীবনে কামাল হোসেনের সব থেকে ভাল সিদ্ধান্ত।

সংলাপের আহ্বানে সাড়া দেয়াকেই বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ। অনেকেরই মত উভয় পক্ষের ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকলে ইতিবাচক হবে এই আয়োজন।

কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, ফলাফলের ওপরে সংলাপের সফলতা নির্ভর করে না। সংলাপই একটা সভ্য সমাজে চলার জন্য একটি রাস্তা করে দেয়।’

দলমত ভেদে সবার আশাবাদ শেষ পর্যন্ত সবার অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের। সূত্র : সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ