প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নবনির্মিত ৫ কারাগারের উদ্বোধন হচ্ছে বৃহস্পতিবার

সুজন কৈরী: বন্দীদের জন্য ৫টি নতুন কারাগার নির্মিত হয়েছে। কারাগারগুলো হলো- সিলেট, কিশোরগঞ্জ, ফেনী, পিরোজপুর ও মাদারীপুর জেলা কারাগার।

বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কারাগারগুলোর উদ্বাধন করবেন। এছাড়া পুরাতন ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের ইতিহাস, ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষাণ ও পারিপাশিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে আজ।

কারাসূত্রে জানা গেছে, দেশের ৬৮টি কারাগারে বর্তমানে ধারণ ক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ বনদী রয়েছে। ফলে বন্দীদের থাকা-খাওয়া ও গোসলসহ নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হয় কারা কর্তৃপক্ষকে। বন্দীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় ৫টি কারাগার নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলোতে আগের থেকে অনেক বেশি সংখ্যক বন্দী থাকতে পারবে। পাবে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও। এগুলোর মধ্যে সিলেট পুরাতন কারাগারে আগের জমির পরিমান ২৪.৬৭ একর। সেখানে বন্দী ধারণ ক্ষমতা ১হাজার ২১০জনের। নতুন কারাগারের আয়তন হচ্ছে ৩০একর। এ কারগারে বন্দী থাকতে পারবে ২হাজার জন। এর মধ্যে নারী বন্দী থাকতে পারবে ১০০জন। ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরাতন কারাগারটিতে বন্দী ছিল ২হাজার ২৫৪জন। কিশোরগঞ্জ পুরাতন কারাগারের জমি ২.৭৩ একর। নতুন করে ২৮একর জমির উপর আরেকটি কারাগার নির্মাণ করা হয়েছে। যেখানে বন্দী থাকতে পারবে ৮শ’ জন। পুরাতন কারাগারে বর্তমানে বন্দী ধারণ ক্ষমতা ২৪৫ জন। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কারাগারটিতে বন্দী ছিল ১হাজার ৩৪৭জন। পুরাতন ফেনী জেলা কারাগারের আয়তন বর্তমানে রয়েছে ১.৫০একর। নতুন কারাগার নির্মিত হয়েছে সাড়ে ৭একর জমির উপর। যেখানে ৩৫০জন বন্দী থাকতে পারবে। পুরাতন কারাগারে বন্দী ধারণ ক্ষমতা ১৭২জন। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কারাগারটিতে বন্দী ছিল ৮৬৯জন। পুরাতন পিরোজপুর জেলা কারাগারের মোট আয়তন হচ্ছে ০.৮৫একর। সেখানে নতুন করে নির্মিত কারাগারের আয়তন হচ্ছে ৯.৫০একর। কারাগারটিতে বন্দী ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ১৭৭জন। নতুন করে নির্মিত কারাগার বন্দী ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ৪৫০জন। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরাতন কারাগারটিতে বন্দী ছিল ৪৫৬জন। পুরাতন মাদারীপুর জেলা কারাগারের আয়তন হচ্ছে ৩.৬৮একর। নতুন কারাগারের আয়তন করা হয়েছে সাড়ে ৭একর। পুরাতন কারাগারে ১১০জন বন্দী ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। আর নতুনটিতে ধারণ ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫০ জন বন্দীর। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরাতন কারাগারটিতে বন্দী ছিল ৫৮৭জন। চলতি বছরের জুন মাসে কারাগারগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এরপর থেকে রয়েছে উদ্বাধনের অপেক্ষায়। যার অবসান হচ্ছে আজ।

কারা সূত্র বলছে, নতুন করে নির্মিত কারাভবনগুলোতে বন্দীরা ভালভাবে থাকতে পারবেন। এছাড়া খাওয়া ও গোসলসহ অন্যান্য সবকিছুরই স্থান বেড়েছে। কারাগারকে সংশোধনাগার হিসেবে বিবেচনা করে এ কাজ বাস্তবায়িত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন বলেন, কারাগারগুলোতে বর্তমানে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুনের বন্দী রয়েছে। এতে বন্দীদের থাকা-খাওয়াসহ গোসলের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। নতুন করে নির্মিত কারাগারে বন্দীরা আগের থেকে অনেক ভালোভাবে থাকতে পারবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত