প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২৪ শতাংশ হারে ব্যাংক ঋণ কৃষকের মাঝে বিতরণ এনজিওদের

আদম মালেক : যে সব ব্যাংকের পল্লী অঞ্চলে শাখা নেই সেখানে এনজিওদের মাধ্যমে কৃষিঋণ বিতরণের নির্দেশনা রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। আবার পল্লী অঞ্চলে শাখা থাকা সত্বেও রাষ্ট্রায়ত্ত¡ ব্যাংকগুলোও ঋণ বিতরণে এনজিওদের দ্বারস্থ হচ্ছে। এই সুযোগে এনজিওরা ৯ শতাংশ হারে বিতরণ করা কৃষিঋণে ২২ শতাংশ পর্যৗল্প আদায় করছে বলে জানা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা আছে ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো বিতরণ করবে ৯ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। আর দেশি-বিদেশি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বিতরণ করবে ১১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা। এনজিওদের মাধ্যমে কৃষকের কাছে বেসরকারী ব্যাংকের বিপুল অংকের ঋণ যেমন যাচ্ছে তেমনি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকেরও প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বিতরণ হবে এনজিও ও কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের মাধ্যমে। এনজিওর মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণে সুদহার হবে সর্বনিম্ন ২৪ শতাংশ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কৃষিঋণ বিতরণে তারা এনজিওদের ওপর যথেষ্ট ভরসা পায়। ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছে কৃষকরা হয়রানির শিকার হলেও এনজিওদের ঋণদান প্রক্রিয়া সহজ। ব্যাংকে দালালদের দৌরাত্ম আছে কিন্তু এনজিওতে দালালদের উৎপাত নেই। সুদের হার বেশী হলেও কৃষকরা ঘরে বসেই স্বল্প সময়ে ঋণ পায়।
এ প্রসঙ্গে তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. মির্জা এ বি আজিজুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর পল্লী অঞ্চলে শাখা থাকলেও পর্যাপ্ত লোকবল নাও থাকতে পারে। এজন্য তারা এনজিওদের দ্বারস্থ হয়। আবার কৃষকরাও এনজিওদের কাছে যায়। তবে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে আলাপ আলোচনার সুদের হার কমিয়ে আনতে হবে।

বেসরকারী সংস্থা উদ্দীপন এর চাঁদপুর শাখার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক স্বপন কুমার বলেন, আমরা পিবেএসএফসহ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ পেয়ে থাকি। এসব ঋণ ২৪ শতাংশ হারে কৃষককে দেয়া হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ