শিরোনাম
◈ সংস্কার না হলে আরও কমতে পারে প্রবৃদ্ধি, সতর্ক করল আইএমএফ ◈ ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অজনপ্রিয় সামরিক অভিযান: সিএনএনের বিশ্লেষণ ◈ এমপি নজরুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ধোঁয়াশা, কাজীর বক্তব্যে নতুন বিতর্ক ◈ স্বর্ণ-নগদ টাকা নিয়ে ভাতিজার সঙ্গে উধাও চাচি, থানায় অভিযোগ চাচার ◈ এলএনজি টার্মিনাল বিকল, বেড়েছে গ্যাস সংকট ◈ আইন প্রণয়ন ও কমিটি গঠনে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ টিআইবির ◈ বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ ◈ এনআইডি সংশোধনে মাঠ পর্যায়ে নিষ্পত্তি, অনলাইনে হবে ভোটার এলাকা পরিবর্তন ◈ পূর্বশত্রুতার জেরে রাজধানীতে বিএনপি কর্মী খুন ◈ ঘুষিকাণ্ডে বিতর্কে জড়ানোর পর প্রথমবার মুখ খুললেন পারেদেস

প্রকাশিত : ৩১ অক্টোবর, ২০১৮, ০৬:৪৫ সকাল
আপডেট : ৩১ অক্টোবর, ২০১৮, ০৬:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুষ্ঠু নির্বাচনকে সামনে রেখেই সাত দফা: ড. কামাল হোসেন

মো: মারুফুল আলম: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সভাপতি ড: কামাল হোসেন বলেছেন, সকলের অংশগ্রহণমূলক সুষ্ঠু নির্বাচনকে সামনে রেখেই আমরা সাত দফা দিয়েছি। আশা করবো যে, খোলা মন নিয়ে আলোচনা হবে; দলীয় কোন স্বার্থে নয়। গত মঙ্গলবার বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাতকারে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন করার জন্য সংবিধান পরিবর্তন করতে হলে তা এক মিনিটেই করা সম্ভব। সংলাপে অসাংবিধানিক কোন আলোচনা হবেনা। লক্ষ্য অর্জন করার জন্য যা যা করা দরকার সে বিষয়গুলো আমরা ব্যাখ্যা করবো।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে দেওয়া চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী সংবিধানসম্মত সকল বিষয়ে আলোচনার কথা বলেছেন আর ঐক্যফ্রন্টের প্রধান দাবি, সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, যাকে সরকারি দল বরাবরই সংবিধানসম্মত নয় বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের আগামি বৃহস্পতিবারের সংলাপের সফলতা নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট কতটা আশাবাদী? এ প্রশ্নের উত্তরে ড. কামাল হোসেন বলেন, আশাবাদী হয়েই আমরা প্রস্তাব দিয়েছি যাতে সকলের অংশগ্রহণমূলক একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের আলোচনা হতে পারে। আলোচনারতো এটাই লক্ষ্য যে, সংবিধান অথবা আইন পরিবর্তন করা হবে এবং সেটা এক মিনিটেই পরিবর্তন করা যেতে পারে। ২০০৭ সালে শেখ হাসিনা যখন অপারেশনে ছিলেন, তখন একই কথাগুলো বলে ২০০৮ সালের নির্বাচন আমরা করতে পেরেছি এবং সেটা করার জন্য এক কোটি চল্লিশ লাখ ভুয়া ভোট বাতিল করতে হয়েছিল। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করতে হয়েছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ফকরুদ্দীনআহমেদকে আনার ব্যবস্থা করতে হয়েছিল। এই সংবিধানকে সংশোধন করিয়েছেন উনারা। যাই হোক, কাল যেহেতু আলোচনা হবে, বিতর্কিত কিছ বলতে চাইনা। উনারা যদি খোলামন নিয়ে আলোচনা করেন, তাহলে দেখবেন আমরা অসাংবিধানিক কোন আলোচনার প্রস্তাব করিনি।

সংবিধান পরিবর্তন করার অনুরোধ জানাবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না সেভাবে ভেঙ্গে বলতে চাইনা। আমাদের লক্ষ্য অর্জন করার জন্য যা যা করা দরকার সেটা আমরা ব্যাখ্যা করবো। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জনগণ অংশ গ্রহণ করেননি; সেই নির্বাচন থেকে মানুষ কিছু পায়নি। এই উপলব্ধি সবার হয়েছে যে, সকলের অংশগ্রহণ না থাকলে এমন নির্বাচন থেকে মানুষ কিছু পায়না। কিন্তু এরপরও তারা সরকার চালিয়েছে। তারা যদি চান, কোন আলোচনা না করে একতরফাভাবে নির্বাচন করা হবে, তাহলে সেটা তারা পারবে। কিন্তু এমন নির্বাচনে মূলত জনগণের অংশগ্রহণ করা হয় না।

বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিনা সে বিষয়ে সংলাপে কথা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঐ দলের নেতাদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আরও আলাপের প্রয়োজন আছে এর আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়