Skip to main content

বুুধবার উদ্বোধন হবে বিশ্বের বৃহত্তম ভাষ্কর্য ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’

আসিফুজ্জামান পৃথিল: বুধবার ভারতের গুজরাটে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম ভাষ্কর্য স্ট্যাচু অব ইউনিটি। এটি ভারতের বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের ভাষ্কর্য। ভারতের স্বাধীনতার অব্যহতি পর তিনি ভারতীয় রাজ্যগুলোকে একত্রিত করতে মূখ্য ভুমিকা রাখেন। বল্লভভাই প্যাটেলের এই ভাষ্কর্য়টির উচ্চতা ১৮২ মিটাপর বা ৫৯৭ ফুট। নর্মদা নদী তীরের এই ভাষ্কর্য নির্মানে ব্যয় হয়েছে ৪২ কোটি ডলার। এবং এতে ব্যবহৃত হয়েছে প্রায় ১৮৫০ মেট্রিক টন ব্রোঞ্জ। এই ভাষ্কর্য৯৩ মিটার উঁচি স্ট্যাচু অব লিবার্টির প্রায় দ্বিগুণ। এ বিষয়ে ২০১৩ সালে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘সারাবিশ্ব জুড়ে মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যাচু অব লিবার্টির কথা বলে। আমরা চাই সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তি হোক লিবার্টির দ্বিগুণ।’ ২০১০ সালে এ উচ্চভিলাসি প্রকল্পের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেসময় তিনি ছিলেন গুজরাটের মূখ্যমন্ত্রী। এর পুরোপুরি ব্যয় নির্বাহ করেছে গুজরাট সরকার। পরের দিকে এ প্রকল্পে কেন্দ্র সরকার এবং সাধারণ মানুষও সহায়তা করে। প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছিলো এটি নির্মানে ব্যয় হবে ৪১ কোটি ডলার। নির্মানের পর এর ব্যয় আরোও ১ কোটি ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভাষ্কর্যটি নিয়ে গুজরাটে তীব্র সমালোচনাও চলছে। রাজ্যটির কৃষকরা সম্প্রতি বড় রকমের পানির সংকটে ভুগছেন। তহবিল নেই এই যুক্তিতে সেচের ব্যবস্থাও করছে না রাজ্য সরকার। সেই মূহুর্তে বিপুল ব্যয়ে তৈরী এ মূর্তি সরকারের আন্তরিকতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। এছাড়াও ভারতের একটি অংশের কাছে বল্লভভাই প্যাটেল সাম্প্রদায়িক নেতা বলে বিবেচিত। তাই তাকে এরকম উচ্চতায় তোলার চেষ্টাকে ভালোভাবে নেননি সংখ্যালঘুরা। যদিও বলা হচ্ছে প্যাটেল ভারতের ক্ষুদ্র রাজ্যগুলোকে একত্রিত করেছেন, কিন্তু তার বিরুদ্ধে গোয়া, হায়দ্রাবাদ, জুনাগর, মনিপুরের মতো রাজ্য জোর করে দখল করে নেবার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সিএনএন

অন্যান্য সংবাদ