প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও আমদানী অব্যাহত

আদম মালেক : খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও প্রতিবছর খাদ্য আমদানী অব্যাহত রয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়লেও তা আমাদের চাহিদা মেটাতে পারছে না। তাই প্রতি বছরই খাদ্য চাহিদা মেটাতে খাদ্য আমদানী করতে হচ্ছে বলে জানা গেছে।

তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মহসীন মনে করেন,বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্য আমদানি সম্পর্কে তিনি বলেন, বিষয়টি ব্যবসায়ীরা ভালো বলতে পারবে।

সাবেক কৃষি সচিব ডা. মির্জা এ জলিল মনে করেন,আমাদের খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে। আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ তবে তা সন্তোষজনক নয়। এজন্য খাদ্য আমদানী করতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য চাহিদা মেটাতে প্রতি বছরই বাংলাদেশকে চাল ডাল তেল গম চিনি মশুর ডাল ছোলা ডাল পেঁয়াজ রসুন আদা দুধ ও শিশু খাদ্য আমদানী করতে হয়। ২০১০-১১ অর্থবছরে মোট ৩ কোটি ১০ লাখ ৬২ হাজার মে. টন খাদ্য উৎপাদন হয়। এই সময় ৪২ লাখ ১৬,১০৬ মে.টন চাল,৫১ লাখ ১৯ ৩২৭ মে.টন গম,২২ লাখ ১১ ১৯৫ মে.টন চিনি,২১ লাখ ১৬৮১৭ মে.ভোজ্য তেল,২ লাখ ১১৯৩ মে.টন মশুর ডাল,৫০ হাজার ৫৩৩ মে.টন ছোলা, ৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৫ মে.টন পেঁয়াজ,৫৮ হাজার ৩১০ মে.টন রসুন,৯৩ হাজার ৭৩১ মে.টন আদা,১ লাখ ১০ হাজার ৯৪০ মে.টন গুঁড়া দুধ,৫ হাজার ৫১৬ মে.টন শিশু খাদ্য আমদানী হয়। এ আমদানীকৃত খাদ্যের মোট পরিমাণ ১ কোটি ৪২ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪৩ মে.টন যার মুল্য ৬২১ কোটি ৯৬ লাখ ৯২ হাজার ডলার। পরবর্তী প্রতি অর্থবছর থেকে আমদানীর ধারাবাহিকতায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরেও ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৪৩৪ মে.টন খাদ্য আমদানী করতে হয়। এই খাদ্যের মূল্য ৩৪৮ কোটি ৬৪ লাখ ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার।

সম্পাদনা -সোহেল রহমান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ