প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পৃথিবীর বৃহত্তম বিমানবন্দরে কাজ করেন ৬৩ হাজার কর্মচারী

নূর মাজিদ : বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর বলে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা শহরের হার্টফিল্ড-জ্যাকসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট প্রায় ৬৩ হাজার মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে আটলান্টা শহরের অর্থনৈতিক উন্নতি এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে মূল প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে এই বিমানবন্দর। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার যাত্রী এই বিমানবন্দরে ব্যবহার করে থাকেন। বিমানবন্দরটির এই বিকাশের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন আটলান্টা নগরীর প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান বংশোদ্ভূত মেয়র মেনার্ড জ্যাকসন। তিনি আটলান্টার তিনবারের নির্বাচিত ছিলেন। ১৯৭৩ সালে প্রথমবার নগরপালের দায়িত্ব গ্রহনের পরেই তিনি বিদ্যমান সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে আটলান্টা বিমানবন্দরটির সম্ভাবনা অনুধাবন করেন। এই লক্ষ্য থেকেই তিনি যে সকল সংস্কারের উদ্যোগ নেন তাতে শুধু আটলান্টা শহর নয় বরং পুরো জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের জন্যই শক্তিশালী অবদান রাখছে হার্টফিল্ড-জ্যাকসন বিমানবন্দর। মেনার্ড জ্যাকসনের প্রথম ক্ষমতাগ্রহণের পর ৪৫ বছর পরে আজ এই স্থাপনাটির আয়তন ১৫৬ একরে এসে দাঁড়িয়েছে। বিগত দুই দশকে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে মাত্র ২ ঘণ্টায় দেশের ভেতর যে কোন স্থানে ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে এই বিমানবন্দর। ২০০৩ সালে মেয়র মেনার্ড জ্যাকসন পরলোকগমন করলেও তার সংস্কারের সুবাদে আজ বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবিকা সরাসরি এই বিমানবন্দরের আয়ের ওপর নির্ভরশীল।

এই বিমানবন্দরের সুবিধার ওপর নির্ভর করেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫ শতাধিক কো¤পানি আটলান্টা শহরে তাদের সদরদপ্তর স্থাপন করেছে। এদের মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্বের বৃহত্তম কুরিয়ার কো¤পানি ইউপিএস ও বিমান পরিবহন কো¤পানি ডেল্টা এয়ারলাইন্স। এই কো¤পানিদুটি বর্তমানে আটলান্টা নগরীর অর্থনীতিতে বাৎসরিক সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলারের অবদান রাখছে। এছাড়াও সমগ্র আটলান্টা নগরীতে তারা আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে কো¤পানীদুটির ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে আরও ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান