Skip to main content

প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সাড়া ফেলেছে আলোচিত সংলাপ

সাব্বির আহমেদ : প্রত্যেক সন্ধ্যায় চায়ের স্টলে আসেন ষাটোর্ধ্ব আফাজ উদ্দিন। দিনের বেলায় পত্রিকা পড়েন, সন্ধ্যা হলে চায়ের কাপে টেলিভিশনে দেশের খবর দেখেন। দেশের চলমান রাজনীতি নিয়ে বেশ ওয়াকিবহালও তিনি। সম্প্রতি দু'য়েকদিন ধরে আফাজ উদ্দিন দেশের রাজনীতি নিয়ে বেশ কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন। সন্ধ্যায় আরও কয়েকজনের সঙ্গে রাজনীতির খবরাখবর নিয়ে চায়ের দোকান বেশ জমিয়ে তোলেন তিনি। এতোদিন যারা রাজনীতির গতানুগতিক সংবাদ দেখে বিরক্ত, তারাও আজকাল টেলিভিশনে রাজনীতির সংবাদ দেখাতেই বেশ মনোযোগী। সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু বহুল আলোচিত সংলাপ। যা নিয়ে গ্রামগঞ্জের দুই মেরুর রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা একত্রে বসছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা। ঢাকার অদূরের জেলা গাজীপুরের কাপাসিয়ার একটি গ্রাম উলুসারা। গ্রামে একাধিক বড়সড় চায়ের দোকান। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সবাই বলাবলি করছেন কি হবে বৃহস্পতিবার! শেষমেষ কিছুটা হলেও কি বরফ গলতে শুরু করছে! ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপের বিষয়টিকে প্রত্যন্ত এলাকার সিংহভাগই ইতিবাচক মনে করছেন। তবে রয়েছে কিছুটা ভিন্নমতও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে বলছেন এটি লোক দেখানো সংলাপ। ফলপ্রসূ কিছু হবে না। একদিকে প্রধান বিরোধী দলের নেতাকে কারাগারে বন্দী রেখে অন্যদিকে সংলাপের ডাক- রহস্যময়। কিন্তু এতোকিছুর পরেও কিছুটা আশাবাদী তারাও। আফাজ উদ্দিনের মতে, এবার একটা কিছু হয়তো হবে। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সালে বেশ ভিন্ন আবহ। সংলাপে বড় দুই দলের অবিশ্বাস কিছুটা ঘুচতে পারে। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী নিজেই সংলাপে উদ্যোগী হয়েছেন। রাজনীতি নিয়ে গ্রামে এতোদিন যারা মুখও খোলেননি তারাও বেশ নড়েচড়ে বসতে। অন্যের কথায় জু দিচ্ছেন। পালটা যুক্তিও তুলে ধরনের। ভিন্নমতগুলো সংলাপকে ঘিরে এক হচ্ছে দেশের গ্রামগঞ্জে।

অন্যান্য সংবাদ