Skip to main content

সংলাপের সিদ্ধান্তে স্বস্তি রাজনীতিতে

হ্যাপি আক্তার : জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেয়া চিঠির ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সংলাপের সিদ্ধান্ত রাজনীতিতে আপাতত স্বস্তি এনে দিয়েছে। এমনটিই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে সংলাপকে কৌশলের খেলাও বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদরে কেউ কেউ। তাদের মতে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের শর্তগুলো পূরণে ক্ষমতাসীন দলকে রাজি করানোর মধ্যেই সংলাপের সফলতা নির্ভর করছে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেয়া চিঠির ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তাদের সংলাপে বসার সিদ্ধান্ত দেশের রাজনীতির জন্য আপাতত স্বস্তিদায়ক। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষরা মনে করেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার কারামুক্তিকে প্রধান দাবি না করে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিই হবে অধিক যৌক্তিক। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মিজানুর রহমান বলেন, মুক্তি অথবা জেল থেকে ছাড়া পাবার বিষয়টি যদি শুরুতে আসে তবে অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে। ঐক্যফ্রন্টের মূল চাওয়াই তো হচ্ছে অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন, অবাধে জনসমাবেশ করতে পারা এবং বাধাবিপত্তিগুলো তুলে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারনায় স্বক্রিয় অংশগ্রহণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। সংলাপে গুরুত্ব পাবে এই বিষয়টিও। সংলাপ হবে একটা কৌশলের খেলা। যে বেশি কৌশলী সে জিতবে। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। সবচেয়ে আগ্রাধিকার পাওয়া উচিত নির্বাচনের সময় প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার দাবি। নির্বাচনের আগে সংলাপের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝে উৎকন্ঠার বদলে খানিকটা আস্থা সৃষ্টি করবে বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা। সূত্র : ডিবিসি নিউজ

অন্যান্য সংবাদ