প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কীভাবে বিধ্বস্ত হলো ইন্দোনেশিয়ার নতুন বোয়িং বিমান?

সান্দ্রা নন্দিনী : সোমবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ১৮৯ জন যাত্রী ও ক্রুসহ উড্ডয়নের পরপরই লায়ন এয়ারের ফ্লাইট জেটি ৬১০ বিমানটি সাগরে বিধ্বস্ত হয়। তবে, এ দুর্ঘটনার পর অন্য আরেকটি বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে সবার, সেটি হলো বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ ব্র্যান্ডের এ বিমানটি একেবারে নতুন হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে তা বিধ্বস্ত হলো?

বিবিসি’র সূত্রে জানা যায়, টেকনিক্যাল লগের হিসেব অনুযায়ী যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। যদিও দুর্ঘটনার মূল কারণ এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি। সাধারণত বিমান দুর্ঘটনার জন্য দু’টি বিষয়ই কাজ করে, প্রযুক্তিগত বা যান্ত্রিক কিংবা মানুষের ভুল।

বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ ব্র্যান্ডের বিমানের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১৬ সাল থেকে। আর যে বিমানটি দুর্ঘটনায় পতিত হলো সেটি কার্যক্রম শুরু করেছে এবছরের ১৫ আগস্ট থেকে। বাজেট এয়ার হিসেবে পরিচিত লায়ন এয়ার জুলাইয়ে ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছিলো যে ইন্দোনেশিয়ায় প্রথম তারা এ ধরণের বিমানের অপারেশন শুরু করতে যাচ্ছে।

ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি কমিশনের প্রধান জানান বিমানটি মাত্র আটশ’ ঘণ্টা উড্ডয়ন করেছিলো। দুর্ঘটনায় পড়ার আগে জাকার্তা থেকে উড্ডয়নের পরপরই পাইলট জাকার্তায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে ফিরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। আর সে কারণেই মনে করা হচ্ছে, টেকনিক্যাল বা প্রযুক্তিগত কারণেই বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছিলো, যা উড্ডয়নের পরপরই পাইলট বুঝতে পেরেছিলেন। তবে একটি টেকনিক্যাল লগে দেখা যায় বাতাসের গতি বোঝার যে যন্ত্র সেটি হয়তো কাজ করছিলোনা। যদিও লায়ন এয়ার এ ধরণের রিপোর্ট সত্যি কিনা তা নিশ্চিত করেনি।

এদিকে, এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ গেরি সোয়েজাতম্যান বিবিসিকে বলেন, সাধারণত পুরোনো বিমানে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। একেবারেই নতুন হলে কিছু সমস্যা চিহ্নিত হয় নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে। প্রথম তিনমাসের মধ্যেই সমাধান করা হয়। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত সমস্যাই হয়তো একটা কারণ হবে তবে সেটি নিশ্চিত হতে তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বিবিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত