প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘যাতায়াত ব্যবস্থা এখন হাল ছাড়া’

আশিক রহমান : সড়ক আন্দোলন দমন করতে সরকার পুলিশ নামিয়েছিলো। রাস্তায় নেমেছিলো হেলমেট বাহিনীও। তারা গুলি করেছিলো। কিন্তু পরিবহন শ্রমিকদের থামাতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে, জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর কিছু করছে? তারা তো একরকম নীরব এখন। হয়তো আলাপ-আলোচনা করছে। কিন্তু তা তো দৃশ্যমান নয় এমন মন্তব্য করেছেন গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আফসান চৌধুরী।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এ দেশের জনগণ সবচেয়ে কম ক্ষমতাবান। ফলে তাদেরকেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হতে হয়। জনগণকে উপেক্ষা করতে পারলেও সড়ক পরিবহনকে উপেক্ষা করা যায় না। চিকিৎসকদের উপেক্ষা করা যায় না। কারণ এই সংগঠনগুলো জনগণের চেয়েও সবল। জনগণের ক্ষমতা কম! বাস্তবতা এখন তাই। এর ফলেই এ ধরনের অসহায়ের মধ্যে পড়তে হয় মানুষকে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের একজন অত্যন্ত পাওয়ারফুল মন্ত্রী রয়েছেন, তার ক্ষমতাসূত্রও এই পরিবহন শ্রমিক। দেশের অর্থনীতি ও অন্যান্য অনেককিছুই সড়ক পরিবহনের ওপর নির্ভরশীল। পরিবহন শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের মতো করে গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন লোকের সুযোগ-সুবিধাও এখানে জড়িত। তাদের শক্তির বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া ছাড়া সরকারের কী করণীয় আছে বোঝা যাচ্ছে না। হয়তো চেষ্টা করছে। আলাপ-আলোচনায় সমাধান খুঁজছে।

এক প্রশ্নের জবাবে আফসান চৌধুরী বলেন, যাতায়াত ব্যবস্থা যদি দুর্বল হয়ে পড়ে তাহলে দেশ অচল হয়ে যাবে। এটা তো প্রতিষ্ঠিত কথা। আমাদের যাতায়াত ব্যবস্থা এখন হাল ছাড়া অবস্থায়। শ্রমিকদের যারা পরিচালিত করছে, তারাই তো এই অচলাবস্থার সৃষ্টি করেছে। বাস মালিকেরা এই ধর্মঘটের বিপক্ষে? না। তিনি বলেন, এই সমস্যা ৫০ বছর ধরে চলে আসছে। কাঠামোগত সমস্যা এটা। যে কাঠামোর মধ্যদিয়ে তা পরিচালিত হয়ে আসছে, তা না সারালে এই পরিস্থিতি থেকে আমাদের মুক্তির সম্ভাবনা নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ