প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ : শিক্ষামন্ত্রীর

রমজান আলী : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার জন্য ১ নভেম্বর থেকে শুরু করে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধো রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোচিং বন্ধের নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের তৎপরতা অনেক ক্ষেত্রেই শুরু হয় কোচিং সেন্টার থেকে। তাই কেউ অন্যয় করলে তাকে ছাড়া দেওয়া হবে না। কোনও শিক্ষার্থী ও অভিভাবক যদি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িয়ে যান। এমন যেনো না হয়।

মন্ত্রী জানান, এবার ২৯ হাজার ৬৭৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে আট বোর্ডের অধীনে জেএসসি পরীক্ষায় অশ নেবে ২২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৩ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে অংশ নেবে চার লাখ দুই হাজার ৯৯০ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলো ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন। এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে দুই লাখ এক হাজার ৫১৩ জন।

তিনি আরো জানান, এবার জেএসসিতে অনিয়িমিত পরীক্ষার্থী অংশ নেবে দুই লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৩ জন এবং জেডিসিতে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নেবে ৩৪ হাজার ২৫১ জন। এক থেকে তিন বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছিল তারাও এবার সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেবে।

মন্ত্রী আরো জানান, মোট দুই হাজার ৯০৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিদেশের ৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন ৫৭৮ জন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারও সব পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। শ্রবণ প্রতিবন্ধীসহ অন্য প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা আগের মতই অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবেন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই তারা শ্রুতি লেখক সঙ্গে নিতে পারবেন। এছাড়া অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম এবং সেরিব্রাল পলসিজনিত প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবে। আর শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহায়তায় পরীক্ষা দেওয়া সুযোগ দেওয়া হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ