প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আলোচনা সভায় বক্তারা
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গণতন্ত্র ও আইনের শাসন বিরোধী শক্তি

সমীরণ রায়: চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ ও জঙ্গিদের নিয়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট হয়েছে। এটি মূলত গণতন্ত্র ও আইনের শাসন বিরোধী শক্তি। এই শক্তিকে আমাদের সামাজিকভাবে বর্জন করা উচিত।

সোমবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে সিটিজেন ফর রেসপন্সিবেল ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘নেপথ্যে ১/১১ এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট:গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সাবেক গভর্নর ফরাস উদ্দিন বলেন, ড. কামাল হোসেন লন্ডন থেকে যে ব্রিফ নিয়ে এসেছেন, সেই ব্রিফ এদেশে প্রতিফলন করতে দেওয়া হবে না। এই কামাল হোসেন বাংলাদেশের স্বার্থ জলাঞ্জলী দিতে চেয়েছিলেন, ৭২ পরবর্তীকালে। ওই সময় তিনি তা পূরণ করতে না পেরে আজকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নামে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি একজন ভাড়াটে ও পরজীবী। তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি চান। কিন্তু সংবিধানে কি কোথাও লেখা আছে? একজন শাস্তিপ্রাপ্ত আসামীকে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। জামায়াত-বিএনপি ভরাডুবি জেনেই নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্র করতেই ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে এই ফ্রন্ট।

সংলাপের জন্য আওয়ামী লীগকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেওয়া চিঠির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা বলতে চাওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যে বিশ্বের কাছে স্বীকৃত রাষ্ট্রনায়ক তার প্রমাণ আবারও দিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ এখনও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি।

৭১ টিভির প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু বলেন, ড. কামাল হোসেন ১৯৭০-১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ বিরোধী যত কাজ করেছে, তার বিল পরিশোধ করবে তারেক রহমান। সেই বিল পরিশোধ সাপেক্ষে তিনি লÐন থেকে ব্রিফ নিয়ে এসেছেন। তাঁর এই ব্রিফ কোনোভাবে বাংলাদেশে কার্যকর করতে দেওয়া হবে না।

ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মূল উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্র। তাদের দেওয়া ৭ দফার প্রথমে রয়েছে, খালেদা জিয়ার মুক্তি। এছাড়াও তাদের দেওয়া ৭ দফার একটি মেনে নেওয়া সম্ভব নয়, জেনেও তারা এই দফা দিয়েছে। তার মানে তাদের উদ্দেশ্য আরেকটি ১/১১। এদেশের গণতন্ত্র ও আইনের শাসন টিকিয়ে রাখতে তাদের এই ষড়যন্ত্র নিয়ে ভাবতে হবে।
সিটিজেন ফর রেসপন্সিবেল ডেমোক্রেসির কো-অর্ডিনেটর ড. আশিকুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক, গাজি টিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতেয়াক রেজা, সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফত, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ, মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী সিকদার, রাশেক রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সেলিম, অধ্যাপক ড. শফিউল আলম, ড. স্বপ্নীল প্রমুখ।

সম্পাদনা: মাহাবুব আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত