প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঐক্য ফ্রন্টের ৭দফা তৃতীয় শক্তিকে সুযোগ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র : ড. হাছান মাহমুদ

মো.ইউসুফ আলী বাচ্চুু : ‘ড. কামাল, মির্জা ফখরুল সাহেবদের সাত দফা দাবি সাংবিধানিক শুন্যতা সৃষ্টি করে তৃতীয় শক্তিকে সুযোগ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।’

এমনটাই মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি।  তিনি বলেছেন, তাদের এই দাবির মূল কথা হচ্ছে সংসদ বাতিল করতে হবে।

সোমবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঐক্য ফ্রন্টের ‘সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াও দেশবাসী’ শীর্ষক সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংসদ বাতিল করলে বাংলাদেশে একটি সাংবিধানিক শুন্যতা সৃস্টি হবে। এতে অপশক্তি কিংবা তৃতীয় শক্তির অাবির্ভাব ঘটার একটা সুযোগ তৈরী হবে। সুতরাং তারা নির্বাচন চায় না। তারা দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরী করে সাংবিধানিক শুন্যতা সৃষ্টি করার মাধ্যমে তৃতীয় শক্তিকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করছে।

ড. কামাল হোসেনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, কথায় কথায় বলেন উনি সংবিধানের প্রণেতা। প্রকৃতপক্ষে ৩৪ সদস্য বিশিস্ট কমিটির একজন হিসেবে তিনি কাজ করেছিলেন। আর তিনি আজকে সংবিধান বহির্ভূত কথা বলছেন।

ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যের আহবায়ক নয়, তিনি এখন বিএনপির প্রকৃত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন মন্তব্য করে সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ড. কামাল হোসেন প্রকৃতপক্ষে জাতীয় ঐক্যের নামে তারেক রহমান আর খালেদা জিয়ার বিকল্প হিসেবে বিএনপির চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করছেন। আজকে এটিই হচ্ছে বাস্তবতা।

ড. কামাল হোসেন সাহেবদের সংলাপ প্রসংঙ্গে তিনি বলেন, যারা মানুষের উপর পেট্টোল বোমা নিক্ষেপ করেছে, যারা একুশে অাগস্টের গ্রেনেড হামলা পরিচালনা করেছে, যারা মিথ্যে জন্মদিন পালন করে তাদের সাথে আওয়ামী লীগের সংলাপ কোন ভাবেই হবে না। এই সংলাপের কোন ভিত্তি নাই এবং এই সংলাপের কোন প্রয়োজন নাই।

সুতরাং সংলাপ যদি দরকার হয় এবং তারা যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাই সেই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সাথে তারা কথা বলতে পারে। সরকার নির্বাচন পরিচালনা করে না। নির্বাচনের সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেই সরকার থাকবে সেই সরকার শুধুমাত্র রুটিন কাজ পরিচালনা করবে এবং নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পর সরকারের একজন থানার এসআই ট্রান্সফার করারও ক্ষমতা থাকবে না। সুতরাং আপনাদের যদি কোন আলাপ অালোচনা থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনকে চিটি দেন। আওয়ামী লীগকে চিটি দেওয়ার কোন প্রয়োজন ছিলো না। এসমস্ত চিটি দিয়ে আপনারা জনগণকে ধোকা দিতে চাচ্ছেন।

বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যের নেতাদের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ছয় কিংবা সাত সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। সুতরাং নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র পরিহার করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি গ্রহন করুন।

আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি চিত্রনায়িকা ফারহানা আমিন নতুনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রী শামসুল হক টুকু এমপি, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমূখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ