প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শীতের শুরুতেই মির্জাগঞ্জে ব্যস্ত পিঠা বিক্রেতারা

মোঃ সোহাগ হোসেন, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) : শীতের শুরুতেই পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে পিঠা বিক্রেতারা। চিতই ও ভাপা পিঠা ব্যবসা জমে উঠেছে মির্জাগঞ্জে আশপাশের এলাকাগুলোতে। মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাজারের গুরুত্বপূর্ন স্থান, রাস্তার পাশে দেখা যাচ্ছে চিতই ও ভাপা পিঠার দোকানের সমারোহ।

অস্থায়ী এসব দোকানগুলোতে রমরমা বেঁচাকেনা চলছে চিতই, ভাপাসহ নানা রকমের শীতকালীন পিঠা। সকল শ্রেণির লোকজন ভীড় জমাচ্ছে এসব দোকানগুলোতে। মনে আনন্দে শীতের পিঠার স্বাদ গ্রহন করছে ক্রেতারা। এবার অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকেই মির্জাগঞ্জে শীতের আবাশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শীতের আগমনকে সামনে রেখে মির্জাগঞ্জে পিঠা ব্যবসায়ীরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে শুরু করেছে তাদের ব্যবসা। বিশেষ করে উপজেলার রাস্তার মোড়, আশেপাশের বিভিন্ন এলাকাগুলোতে অসংখ্য পিঠার দোকান বসেছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আবার বিকেল থেকে রাত ১০/১১ পর্যন্ত ধুমধাম ভাবে বেঁচাকেনা হচ্ছে এসকল দোকানগুলোতে। পিঠার সাথে থাকছে ধনে পাতার চাটনী, মরিচ ও চিংড়িসহ নানারকম ভর্তা। প্রতিটি চিতই পিঠা বিক্রয় হচ্ছে ৫ টাকা করে। আর ভাপা পিঠা ১০ টাকা। চালের গুড়ো, গুড় আর কোড়া নারিকেল দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভাপা পিঠা। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৫০টির বেশি পিঠার দোকান বসেছে বলে জানা যায়।

উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ চত্বর, সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়, লঞ্চঘাট রোড, কলেজ চত্বর, বটতলা, বিশ্বাস বাড়ী বাজার, আমড়াগাছিয়া বাজার, চৈতা বাজার, কাঠালতলী বাসস্ট্যান্ড, মির্জাগঞ্জ মাজার মোড়, কপালভেড়া, মনোহরখালী ফেরীঘাট, দেউলী বাজার, কাকড়াবুনিয়া তিন রাস্তার মোড়, শিংবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর, ভয়াং বাজার ও খলিশাখালী বাজারসহ উপজেলা বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় এসব ছোট বড় পিঠার দোকান দেওয়া হয়েছে।

পিঠা খেতে আসা ৫ বছরের শিশু মুনিবা ইসলাম বলেন শীতের পিঠা খেতে খুবই মজার। অন্য এক ক্রেতা স্কুল শিক্ষক মোঃ জামাল উদ্দিন জানান, এসব পিঠা এখন বাসা বাড়িতে আর তৈরি হয়না। তাই শীতের স্বাদ গ্রহন করতে ছুটে এসেছি পিঠার দোকানে। মির্জাগঞ্জ মাজার মোড়ে পিঠা বিক্রেতা মোসাঃ বেগমের এর সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, অন্যান্য মৌসুমের চেয়ে শীতের মৌসুমে পিঠার বিক্রি বেশি হয়। তাই শীতের শুরুতেই দোকান নিয়ে বসেছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ