প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাঠাও উবার ভেবে হাতের ইশারা, বিড়ম্বনায় বাইক চালকরা

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : পরিবহন ধর্মঘট চলাকালে গণপরিবহন না থাকলেও বিভিন্ন রাইড শেয়ার যানবাহনের মাধ্যমে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। স্বল্প খরচের আশায় অনেকেই বেছে নিচ্ছেন উবার, পাঠাও, সহজের বাইক। আর এ সুযোগে পরিবহনের জন্য অপেক্ষমান যাত্রীরা বাইক চালক দেখলেই হাত তুলে ইশারা করছেন নিজ গন্তেব্যে যাবার জন্য। অনেক বাইক চালক নিজস্ব বাইক এবং কোন রাইড শেয়ারের নয় বললেও যাত্রীরা একথা শুনতে নারাজ। এতে চরম বিড়ম্বনায় পড়ছেন বাইক চলকরা। অবশ্য রাজধানীর অনেক মোড়ে দাড়িয়ে তাকা পাঠাও চালকরা এখন ডেকে ডেকে যাত্রী বহন করছে।

সোমবার সকালে কারওয়ান বাজার সিগন্যাল থেকে যাত্রী আনা নেয়ার পন্থা দেখে আলাপ হয় সেখানে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে। তাদের মধ্যে একজন খোরশেদ আলম। বলেন, এটা আমার নিজের মোটরসাইকেল। ছোট-খাটো ব্যবসা করি। গতকাল থেকে ধর্মঘটের কারণে গণপরিবহন চলছে না। ফলে কর্মজীবী মানুষ পড়েছে ব্যাপক বিড়ম্বনায়। তিনি বলেণ, মিরপুর থাকে মোটরসাইকেলে শাহবাগ যাচ্ছিলাম, তখন এক যাত্রী আমার গাড়ি থামিয়ে বললো আমিও ওইদিক যাবো নিয়ে যান, ভাড়া দিব।

ওইদিন নিয়ে গেলাম ২০০ টাকা দিল। এরপর ফিরে আসার সময় আবার নিজ ইচ্ছায় যাত্রী ডাকলাম, নিয়ে এলাম মিরপুর। এরপর থেকে প্রতিদিনই এভাবে ট্রিপ মারতে রাস্তায় মোটরসাইকেল বের করেছি। ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী আনা নেয়ার কাজে নিয়োজিত আরেক মোটরসাইকেল আরোহী তুহিন আহমেদ। রাজধানীর একটি কলেজে অনার্স ৪র্থ বর্ষে পড়ছেন। বলেন, রাজধানীতে যেহেতু গণপরিবহন চলছে না, যাত্রীদের গন্তব্যে চাপও বেশি, তাই যে যেভাবে পারছেন যাতায়াত করছেন।

এদিকে অনেকেই বলছেন ডেকে ডেকে বাইকে চলাচল করা ঝুঁকিপূর্ন। উবার বা পাঠাও এ্যাপসের মাধ্যমে কল দিয়ে গন্তব্যে যেতে হয়। গন্তব্যের দুরত্ব ও ভাড়ার পিরমানও দেখানো হয় মুঠোফোনের ওই এপ্লিকেশনে। এতে ঝুঁকিও কম থাকে। চালকদের জবাবদিহীতা নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু ডেকে ডেকে যাত্রী সেবাদানকারিরা যে সন্ত্রাসী বা ছিনতাইকারি নয় তা বোঝার উপায় থাকেনা। এ কারণে ডেকে বাইকে চলাচল না করাই ভাল বলে মনে করেন তারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ