প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বিলসহ চার বিল পাস

ভোরের কাগজ : কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রচলিত অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের সমমর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বিল পাস করেছে সংসদ। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের ২৩তম অধিবেশনে আজকের বৈঠকে বিলটি সংসদে স্থিরিকৃত আকারে কন্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এরআগে বিলের ওপর আনীত পীর ফজলুর রহমানের (সুনামগঞ্জ-৪) একটি সংশোধনী গৃহীত হয়। অপর সংশোধনী, যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। গত ২৪ অক্টোবর সম্পূরক কর্মসূচিতে বিলটি উত্থাপন করা হয়।

বিলে সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার/ মধ্যম সারির ব্যবস্থাপক সমতুল্য ডিপ্লোমা প্রকৌশল সনদ প্রদানসহ শ্রম বাজারের চাহিদার আলোকে উচ্চ দক্ষ (সুপারভাইজার), দক্ষ, আধা দক্ষ, মৌলিক দক্ষ, মৌলিক কর্মী ৫টি কর্মশ্রেণিতে বিভক্ত করে সনদ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এজন্য বিলে ১৪টি ক্রমিকে কারিগরি শিক্ষা কোর্সের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়। এরমধ্যে রয়েছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ এগ্রিকালচার, ফিসারিজ, ফরেষ্ট্রি, নেভাল (ইলেট্রিক্যালসহ অন্যান্য), আর্মি (টেলিকমিউনিক্যাশনসহ অন্যান্য), মেডিক্যাল টেকনোলজি, লাইভস্টক ও টুরিজম ডিপ্লোমা সনদসহ আধুনিক জীবন যাপনের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাকার্যক্রমের ডিপ্লোমা। এছাড়া জাতীয় প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ শীর্ষক ২টি সনদ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের কারিগরী শিক্ষার স্বীকৃতি, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণকল্পে বিদ্যমান দি টেকনিক্যাল এডুকেশন এ্যাক্ট ১৯৬৭ রহিতক্রমে বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০১৮ প্রণয়ন হয়। এস এস সি (ভোকেশনাল), দাখিল (ভকেশনাল), বি.এম. এবং ডিপ্লোমা পর্যায়ের সকল শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ এবং দেশে বিদেশে প্রযুক্তিখাকে নতুন উদ্যোগতা সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিলটি আনা হয়।

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট বিল পাস

বাংলাদেশী পণ্য ও সেবার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তি সহজতর করণ ও আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রেও আদর্শমান বজায় রাখার বিধান রেখে সংসদে আজ পাস হয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন বিল ২০১৮। বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। এরআগে বিলের ওপর আনিত পীর ফজলুর রহমানের (সুনামগঞ্জ-৪) একটি সংশোধনী গৃহীত হয়। অপর সংশোধনী, যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

মৎস্য সঙ্গনিরোধ বিল পাস

পিরানহা, আফিকান মাগুরের মতো বিপদজনক প্রজাতির মাছ, মাছের রেণু, পোনা পিএল ইত্যাদির অনুপ্রবেশ রোধের জন্য সংসদে পাস হয়েছে ‘মৎস্য সঙ্গনিরোধ বিল ২০১৮। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ। এটি একটি নতুন আইন। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্য পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখার পাশাপাশি অনুমোদিত ভাবে পিরানহা, আফিকান মাগুরের মতো বিপদজনক প্রজাতির কোন মাছ, মাছের রেণু, পোনা পিএল ইত্যাদির অনুপ্রবেশ রোধের জন্য বিলটি আনা হয়।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল পাস

এছাড়া স্বপ্ল ব্যায়ে পরিবেশ বান্ধব উন্নত মৎসচাষ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রযুক্তর উদ্ভাবন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মাননিয়ন্ত্রণ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় আরো গতিশীলতা আনতে ‘বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল ২০১৮’ পাস করেছে সংসদ। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ।

উচ্চ আদালতের নিদের্শে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত জারিকৃত অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারানোর ফলে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘ফিসারিজ সিসার্চ ইনস্টিটিউট অধ্যাদেশ ১৯৮৪’ আইনটি সংশোধন, পরিমার্জন ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে বিলটি আনা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ