প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মোবাইল অপারেটরদের প্রতারণা বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

আরিফুর রহমান তুহিন: দেশের মোবাইল অপারেটররা খুদে বার্তার মাধ্যমে তাদের গ্রাহকদের প্রতারণা করছে এমন অভিযোগ করে তা বন্ধে সকল অপারেটরকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে এক আইনজীবি। রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে ময়মনসিংহের মো. খাইরুল হাসান সরকার ও রাসেল হোসেন এবং মানবাধিকার সংগঠন ‘ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন’ এর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব এই নোটিশ পাঠান।

নোটিশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, এয়ারটেলসহ সকল মোবাইল অপারেটরদের প্রতারণা বন্ধ করে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়। আগামী দুই দিনের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিটিআরসিসহ সকল মোবাইল অপারেটরকে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ১০টি সুনিদৃষ্ট অভিযোগের জবাব আগামী ৪৮৭ ঘণ্টার মধ্যে না দিতে পারলে উচ্চ আদালতে রিট করা হবে বলে জানান আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর পল্লব।

নোটিশে দাবি করা হয় যে, বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানিগুলো গ্রাহকদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বেআইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে হয়রানি করে থাকে। যা প্রকারান্তরে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। গ্রাহকদের অব্যবহৃত ইন্টারনেট ডাটা নির্দিষ্ট মেয়াদের পর রোল ওভার না করা বা পরবর্তী ইন্টারনেট প্যাকেজের সঙ্গে যোগ না করা, সকল খুদে বার্তা বাংলা ভাষায় প্রেরণ, সকল অফারের সঙ্গে বিস্তারিত শর্তাবলি প্রেরণ এবং গ্রাহকের সম্মতি ব্যতীত কোনো প্যাকেজ বা অফার চালু না করা, তরুণ সমাজের জন্য ক্ষতিকর সীমিত সময়ের ইন্টারনেট প্যাকেজ অফার না করা, গ্রাহকদের মোবাইলে অনবরত বাণিজ্যিক খুদে বার্তা না পাঠানো, গ্রাহকদের মোবাইল নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য বাণিজ্যিক কোম্পানির কাছে হস্তান্তর না করা, প্রতারণামূলক রিচার্জ অঙ্ক যেমন ১৯, ৩৯, ৪৯, ২১, ১১ ইত্যাদি সংখ্যার মাধ্যমে কোনো প্যাকেজ নির্ধারণ না করা, বাণিজ্যিক ভিক্তিতে ২৮২৮, ২০০০, ২০০৮, ২৩২৩ জাতীয় নম্বর হতে গ্রাহককে কোম্পানির মাধ্যমে ফোন দিয়ে বিরক্ত না করা।

সেইসঙ্গে ২৬ পয়সায় কেনা ১ জিবি ইন্টারনেট গ্রাহকদের কাছে ২০০ টাকার বেশি মূল্যে বিক্রি করা, বোনাস ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কোম্পানিগুলোর সার্ভার দুর্বল করে রেখে এমবি/জিবি কেটে নেয়া, ফেসবুকসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ‘এনআইডি’ কার্ডের ব্যবহার ও পর্নোগ্রাফিসহ অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত সাইটগুলো বন্ধের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মোবাইল কোম্পানি- গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক, টেলিটক, আইন মন্ত্রণালয়ের, সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেসন্স রেগুলেটরি অথরিটি (বিটিআরসি) কে বিবাদী করে নোটিশটি পাঠানো হয়।