প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৫টি স্বর্ণের বারসহ সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা কর্মীসহ আটক ২

সুজন কৈরী: হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোনা চোরাচালানের অভিযোগে সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা কর্মীসহ দুইজনকে ৫টি সোনার বারসহ আটক করা হয়েছে। তারা হলেন- সিভিলি এভিয়েশনের নিরাপত্তাকর্মী মো. শরিফুল ইসলাম ও সৌদি থেকে আসা যাত্রী মো. ইয়াকুব মিয়া। শনিবার রাতে তাদেরকে আটক করা হয় বলে রোববার রাতে জানিয়েছেন ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেন্টিভ টিমের ডিসি অথেলো চৌধুরী।

তিনি জানান, শনিবার রাতে সৌদী এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট (এসভি-৮০৪) ঢাকায় আসে। গোয়েন্দা তথ্যে প্রিভেন্টিভ টিম ও দায়িত্বরত শিফটের কাস্টমস কর্মকতারা বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। যাত্রী ইয়াকুব মিয়া গ্রীনচ্যানেল পার হলে তাকে আটক করে চ্যালেঞ্জ করা হয়। ওই সময় যাত্রীর মুঠোফোনে ঢাকার একটি মুঠোফোন থেকে ঘন ঘন রিং আসতে থাকে। যাত্রীর মুঠোফোন থেকে ওই ফোনের মালিকের ছবি দেখে সিভিলি এভিয়েশনের নিরাপত্তাকর্মী শরীফুলকে অনুসরন করা হয়। কাস্টমসের উপস্থিতি টের পেয়ে শরীফুল স্টাফ গেট দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় স্টাফ গেটে দায়িত্বরত অপর বিমানবন্দর নিরাপত্তাকর্মী মহসিন রেজাকে শরীফুলকে আটক করতে বললেও তিনি কোনো সহযোগীতা করেনি। পরে বিমানবন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তাকর্মী শরীফুলকে আটক করা হয়। কিন্তু তিনি যাত্রীর সঙ্গে যে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন তা উদ্ধার করা যায়নি।

ডিসি আরো জানান, পরে কাস্টমস হলে নিরাপত্তাকর্মী ও যাত্রীকে এনে ব্যপক জিজ্ঞাসাবাদ বরা হয়। এ সময় শরীফুল জানায়, তার মুঠোফোনটি বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কোথাও ফেলে দিয়েছেন। তবে তার কাছে থাকা অপর একটি মুঠোফোনের গোপন একটি ফাইলে যাত্রীর ছবি পাওয়া গেছে। আর যাত্রী ইয়াকুবকে তল্লাশি করে তার জ্যাকেটের ভেতর থেকে কৌশলে লুকানো ৫টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সোনার ওজন ৫৮০ গ্রাম ও মূল্য ২৫ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করে দুইজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা সোনার বারগুলো আটক রশিদ বানিয়ে (ডিএম) কাস্টমস হাউজে জমা করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ