প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রক্ত পিপাসু ও সন্ত্রাসীদের নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতেছেন কামাল হোসেন

অধ্যাপিকা অপু উকিল : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করে অগণতান্ত্রিকভাবে উল্টোপথে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করতে রক্ত পিপাসু ও সন্ত্রাসিদের নিয়ে ক্ষমতার লোভে ষড়যন্ত্রের উল্লাসে মেতেছেন ড. কামাল হোসেন। রক্ত পিপাসু ক্ষমতালোভী, দেশদ্রোহী, স্বাধীনতাবিরোধি, অপশক্তিদের সাথে জোট বেধে নির্বাচনি মাঠে নেমে স্বাধীনতার প্রান, জনগণের দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন ষড়যন্ত্রকারী কামাল হোসেন। এদের একমাত্র লক্ষ্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট বন্ধ করে অন্ধকার গলি দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করা।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট কেন্দ্রে বোমা মেরে, যারা নির্বাচন বানচাল করার জন্য মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, সেই রক্ত পিপাসু সন্ত্রসী বিএনপি জামায়াতের সাথে জোট করে কামাল হোসেন এবার নির্বাচন বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে নেমেছেন। কিন্তু দেশের সাধারণ জনগণ এই ক্ষমতা লোভীদের সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়ে, সংবিধান অনুযায়ি নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রস্তুত আছে। অতিতের মতো, সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে জনগণের সাথে থাকবে মুক্তিযুদ্ধের দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

কামাল হোসেনের কোনো ভোট নেই। জনগণ তাকে পচ্ছন্দ করেন না। ভোটে দাঁড়ালে ড. কামাল হোসেন জামানত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে পারে না, জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। কামাল হোসেনের কথিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্য নেতা, আ স ম আব্দুর রব ও মাহামুদুর রহমান মান্না সবার একই অবস্থা, কোনো ভোট নেই। আর বিএনপি-জামায়াতকে অনেক আগেই জনগণ প্রত্যাক্ষান করেছে। ভোট না থাকার কারণেই সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে ভয় পাচ্ছে। জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা একত্রিতভাবে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

এই কামাল সাহেবরা কখনোই জনকল্যানে কাজ করেন না। সাধারণ মানুষের কাছে যান না। জাতীয় কোনো দুর্যোগে এরা জনগণের পাশে দাঁড়ান না। সে কারণেই তারা জনগণকে ভয় পান। শুধু নির্বাচন এলেই ক্ষমতার লোভে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এরা রক্ত পিপাসু, ক্ষমতালোভী। এদের একমাত্র উদ্দেশ্য রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করা, জনকল্যান নয়। গণতান্ত্রিক পথ রুদ্ধ করে যেকোনো উপায়ে এরা ক্ষমতায় যেতে চায়।

দেশের মালিক জনগণ। জনগণই ক্ষমতার মূল উৎস। জনগণ নির্ধারণ করবে কে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে, আর কে থাকবে না। এটা নির্ধারণ করার ক্ষমতা কামাল হোসেনকে কেউ দেয়নি। তিনি নির্ধারণ করার কে? কামাল হোসেনের জোট জনগণের সাড়া না পাওয়ায় তার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এজন্য আবল-তাবল বলতে শুরু করেছেন। কামাল হোসেনের ঐক্যফ্রন্ট ভোটের মাঠে একেবারেই শূন্য, আর জনগণের দল আওয়ামী লীগ ভোটের মাঠে কানায় কানায় পরিপূর্ন। উন্নয়নের নৌকায় ভোট দিতে জনগণ এখন নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।

পরিচিতি : সাধারণ সম্পাদক, যুবমহিলা লীগ ও সাবেক সাংসদ/মতামত গ্রহণ : লিয়ন মীর/সম্পাদনা : ফাহিম আহমাদ বিজয়।