প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডেপুটি স্পিকার বললেন, ড. কামাল সংবিধান প্রণেতা নন

তরিকুল ইসলাম সুমন : ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, ড. কামাল হোসেন সংবিধান প্রণেতা, জাতীয় সংসদ এটা গ্রহণ করবে না। গতকাল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে একজন সংসদ সদস্য পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলার প্রেক্ষিতে তিনি একথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, গণপরিষদের সংবিধানের যাকে রচয়িতা বলে থাকেন, তাদের একটি রিপোর্ট আমি পড়েছি। গণপরিষদের ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি হয়েছিলো। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই কমিটির চেয়ারম্যান ড. কামালকে বানিয়েছিলেন। সুতরাং কামাল যদি নিজে বলেন বা কেউ যদি বলার চেষ্টা করেন তিনি সংবিধানের প্রণেতা, নো আই ডোন্ট অ্যাকসেপ্ট ইট, দি পিপল শুড নট অ্যাকসেপ্ট ইট। দিস পার্লামেন্ট শুড নট অ্যাকসেপ্ট ইট। সে শুধুমাত্র ওই কমিটির চেয়ারম্যান।

তিনি আরো বলেন, সেখানে আরও ৩৪ জন লোক ছিলেন। তারা মেম্বার ছিলেন। তাদের সকলেরই অবদান আছে। তিনি শুধু বঙ্গবন্ধুর অনুকম্পা পাওয়ার কারণেই সেদিন সেই কমিটির চেয়ারম্যান হতে পেরেছিলেন। চেয়ারম্যান তো অন্য কোন ব্যারিস্টারও হতে পারতেন। অন্য কোন এমপিও হতে পারতেন তা কিন্তু হননি। সুতরাং তিনি ঐক্যফ্রন্টের নামে যে সমস্ত কথা বলছেন এটা বাংলার মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। ইতোমধ্যে নিন্দিত হয়েছেন।
এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য তাহজিব আলম সিদ্দিকী বলেন, ড. কামাল হোসেন ক্ষমতায় যাওয়ার অদম্য নেশায় তথাকথিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নামে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ সৃষ্টি করেছেন। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে শুধু বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করছে না বরং তাদের মাঝে রাজনীতি এবং রাজনীতিবিদদের সম্পর্ক চরম বিরূপ নেতিবাচক ধারণা তৈরি করছে। একজন শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব তিনি সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা বলে দাবি করেন, ওনার সারাজীবনের লালিত প্রগতিশীল উদারপন্থী রাজনীতি পরিত্যাগ করে ডানপন্থি-মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক চেতনাধারীদের সাথে জোট বেধেছেন। শুধু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নীতি ও আদর্শ রাজনৈতিক ঐতিহ্য কোন কিছুই তাকে আর বেধে রাখতে পারছে না।
ঐক্যফ্রন্টে আরেক নেতা আ স ম আবদুর রবের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আরও নৈরাশ্যজনক হচ্ছে, তিনি স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সদস্য, তিনি তরুণ সমাজকে উজ্জীবিত করেছিলেন। তিনি কিভাবে এতোটা নীতিহীন আদর্শহীন রাজনৈতিক নেতা হতে পারেন আমার বোধগম্য হচ্ছে না। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব