প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হাই কমান্ডের নজরে আসতে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নানান কৌশল

সাজিয়া আক্তার : চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের মাঝে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এটা বোঝা যায়, সভা সমাবেশে তাদের স্বরূপ উপস্থিতি আর ব্যানার পোস্টার দেখে। বর্তমান সাংসদ এবং তাদের প্রতিদ্ব›দ্বী মনোনয়ন প্রত্যাশীরা প্রচার-প্রচারণার নানান কৌশলে হাই কমান্ডের নজরে আসতে চাইছেন। অন্যদিকে বিএনপি নেতারা ব্যস্ত কারাগার আর আদালত সামলাতে। সূত্র : এটিএন নিউজ

রাজধানী ঢাকার পরেই সবার চোখ থাকে বাণিজিক রাজধানী চট্টগ্রামের দিকে। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতাদের ঘাটি এই চট্টগ্রামে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের লড়াই করাটা স্বাভাবিক ঘটনা। আবার এক আসন থেকে একই দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক হেডি ওয়েট নেতাদের ¯œায়ুযুদ্ধ দেখা যায়। তবে মাঠে ময়দানের নির্বাচনী হাওয়া, থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে, এবার বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগেই এই জটটা বেশি। প্রতিটি আসনেই রয়েছে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী।

প্রার্থী হওয়ার তালিকায় রাজনৈতিক নেতাদের চেয়ে এবার রাজনীতির বাইরের থাকা শিল্পপতিদের লক্ষ করা যাচ্ছে বেশ ভালোই। তাদের অধিকাংশেরই আবার টার্গেট ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের টিকিট। স্বাভাবিকভাবেই নেতাদের কাছে মানুষজনের প্রশ্ন দলের বাইরে থেকে যদি কেউ প্রার্থী হন তাহলে কি দলে বিরোধ তৈরি হতে পারে?

চট্টগ্রামের মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, দলে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকা মানেই এটা নেয় দলের মধ্যে কোনো বিরোধ আছে। এটা গণতান্ত্রিক অধিকার। যখন মনোনয়ন চ‚ড়ান্ত হয়ে যাবে, তখন সবাই প্রার্থীর পেছনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

আবার অনেক নেতা চাইছেন বর্তমান সাংসদের পরিবর্তন হোক। কারণ হিসেবে তারা আঙুল তুলছেন, নেত্রীর আস্থা হারানো এবং এমপি হওয়ার পর তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকার বিষয়গুলোর দিকে।

তবে আওয়ামী লীগের একেবারে বিপরীত চিত্র দেখা যায় বিএনপিতে। চট্টগ্রামের ১৬ টি আসনে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে, শীর্ষ নেতারা এমন দাবি করলেও তাদের মাঝে নেই কোনো নির্বাচনী ইমেজ। স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রামের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা মাহবুবুর রহমান শামীম ও নগর কমিটির আবুল হোসেন বক্কর রয়েছে কারাগারে। আর বাকি নেতাকর্মীরাও রয়েছে মামলা জটে। তাই স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, নির্বাচনের সমতল ভ‚মি চট্টগ্রামে নেই।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ড থানা কমিটি হয়ে গেছে। আমরা সেন্টার কমিটিগুলোও করছি। বিভিন্ন গায়েবী মামলা হামলার কারণে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমরা বলছি নির্বাচনে যেতে চাই। আমাদের শর্তগুলো পূরণ করা হোক, এর পাশাপাশি নির্বাচনের একটি সমতল ক্ষেত্র তৈরি করা হোক। চট্টগ্রামে বিএনপি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

তবে সব বাধা পেরিয়ে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভোট উৎসবের প্রত্যাশা করছেন বন্দর নগরীর মানুষ। সম্পাদনা : শাশ্বত জামান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ