প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তিতে যাত্রীরা, গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া

মো : জয়নুল আবেদীন,আমতলী (বরগুনা) : আট দফা দাবীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা ৪৮ ঘন্টা কর্মবিরতি রোববার থেকে শুরু হয়েছে। পটুয়াখালী-আমতলী- কুয়াকাটা মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। ফলে বিকল্প পন্থায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

বরগুনা জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি হাসান মৃধা জানান, আট দফা দাবীকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা কর্মবিরতি রোববার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। সড়কে কোন পরিবহন চলাচল করছে না। শ্রমিকদের দাবী না মানা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পটুয়াখালী-আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে কোন পরিবহন চলাচল করছে না। মানুষ চরম ভোগান্তিতে পরেছে। দুর-দুরান্ত থেকে যাত্রীরা এসে দাড়িয়ে রয়েছে। দুর পাল্লার কোন পরিবহন না থাকায় যাত্রীদের বাড়ী ফিরে যেতে হচ্ছে। আমতলী চৌরাস্তায় গিয়ে দেখা গেছে, পরিবহন না পেয়ে যাত্রীরা দাড়িয়ে আছে। এ সুযোগে মাহেন্দ্র, ইজিবাইক ও মোটর সাইকেল চালকরা অতিরিক্ত টাকায় যাত্রী পরিবহন করছে।

কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় মাহেন্দ্র, ইজিবাইক ও মোটর সাইকেল চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে। কলাপাড়া থেকে আসা কয়েক যাত্রী জানান, কলাপাড়া থেকে আমতলী বাস ভাড়া ৩০ টাকা। বাস না চলায় মাহেন্দ্র গাড়ীতে ৭০-১০০ টাকা ভাড়া নিচ্ছে। পটুয়াখালীর ভাড়া ৫০ টাকা মোটর সাইকেল চালকরা ওই ভাড়া ২৫০/৩০০ টাকা নিচ্ছে।

কলাপাড়া থেকে আমতরী আসা মহাসিন, জুয়েল, ও রবিউল জানান, কলাপাড়া থেকে বাস ভাড়া ৩০ টাকা। মাহেন্দ্র গাড়ীতে ওইভাড়া ১০০ টাকা নিয়েছে।

রবিশাল থেকে আমতলী আসা যাত্রী রুবেল জানান, সড়কে বাস চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। পাঁচ বার গাড়ী বদল করে আমতলী এসে পৌছেছি। তিনি আরো জানান, পাঁচবার গাড়ী বদল করায় অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়েছে। যেখান ১৫০ টাকায় আসতে পারতাম, সেই জায়গায় ৪০০ টাকা খরচ হয়েছে।

পটুয়াখালী বাস মিনিবাস মালিক সমিতির রিয়াজ মৃধা বলেন, শ্রমিকরা ইচ্ছা করে কোন দূর্ঘটনা ঘটায় না। সরকার শ্রমিকদের আট দফা দাবী মেনে নিয়ে কর্ম বিরতি প্রত্যাহর করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ