Skip to main content

লক্ষ্মীপুর- ৪ নির্বাচনী আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী বাবু এগিয়ে

আমজাদ হোসেন আমু,কমলনগর-রামগতি(লক্ষ্মীপুর): লক্ষ্মীপুর-৪ রামগতি-কমলনগর দুটি উপজেলা সংযুক্ত একটি সংসদীয় আসন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, এই আসনের আগামী দিনের প্রতিনিধি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা ততই জমে উঠছে।কোন প্রার্থী মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে, কোন প্রার্থী বিগত সময়ে নেতাকর্মী ও এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেছেন, চলছে তার হিসাব নিকাশ। মূলত এ আসনে আগামী নির্বাচনে লড়াই হবে ১৪ দলের জোটের প্রার্থীর সঙ্গে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীর। তবে দুই বড় দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পাশাপাশি জেএসডি (জাসদ) সমর্থিত মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও নির্বাচনি প্রচারণা, সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, নির্বাচনী মাঠ জরিপে পত্র- পত্রিকা, টিভি চ্যানেল প্রচার- প্রচারণায় এগিয়ে, ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীর তালিকায় রয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবু। তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে দলের জন্য কাজ করেছি। আমি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পরে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। দল যখন ক্ষমতায় ছিল এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেছি। বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। দলের জন্য কাজ করছি।প্রায় ৪০-৪৫ টি মিথ্যে মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। কয়েকবার জেল খেটেছি। মামলা থাকার কারণে অনেক সময় এলাকায় আসা হয়। তাই সবসময় রামগতি- কমলনগর উপজেলার সাধারণ জনগনসহ নির্যাতিত নেতা কর্মীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করছি। লক্ষ্মীপুর -৪ আসনটি জাতীয়তাবাদী দলের শক্তির আসন। বিএনপি যদি একাদশ সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে, আমি আশা করি দল আমার ত্যাগ ও শ্রমের মূল্যায়ন করবে। এদিকে দশম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (আল মামুন)। তিনিও একাদশ সংসদ নির্বাচনের নমিনেশন প্রার্থী। আ’লীগের প্রার্থীর তালিকায় আরও রয়েছে, সাবেক সংরক্ষিত নারী এমপি ফরিদুন্নাহার লাইলী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ও আওয়ামীলীগের ক্রীড়া উপ কমিটির সহ-সম্পাদক আব্দুরজ্জাহের সাজু মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।এছাড়া ২০ দলীয় জোটের তালিকায় রয়েছেন বিএনপি’র দু’বারের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আশ্রাফ উদ্দিন নিজান, জেএসডি সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ স ম আব্দুর রব। মেঘনার ভাঙনে গত কয়েক বছরে এ আসনের অনেক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মেঘনার ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। নদী ভাঙন আর প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করেই এখানকার মানুষ প্রতিদিন বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেন। দুই উপজেলা ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনের অধিকাংশ মানুষ মৎস্য শিকার এবং কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এ এলাকার মানুষের প্রতিনিধি হয়ে তাদের সুখ-দুঃখের কথা কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন প্রধান দুই রাজনৈতিক জোটের নেতাকর্মীরা। মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রার্থীরা ছাড়াও দুই জোটের শরিক দলের অন্য নেতারাও প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

অন্যান্য সংবাদ