প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আড়ংয়ের উৎসবে মুগ্ধতা ছড়ালেন ব্যান্ড তারকারা

প্রথম আলো : রঙিন আলোগুলো যতটা উচ্ছ্বাসে ঢেউ খেলছিল, তার চেয়েও বেশি উন্মাদনা ছিল দর্শকের করতালিতে। সবুজ ঘাসের ওপর কালো রঙের আবহে প্রস্তুত মঞ্চ আর ভিআইপি গ্যালারিও মেতে ছিল উৎসবে। মঞ্চের সামনে কয়েক গজ দূরে কারুশিল্পীদের প্রদর্শনীর জন্য চাটাইয়ের ছোট ছোট খুপরি ঘরে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাঙালিয়ানা। সেগুলো দেখতেও ছিল কৌতূহলী মানুষের ভিড়। দেশের শীর্ষ ফ্যাশন ব্র্যান্ড আড়ংয়ের ৪০ বছর পূর্তি উৎসবের সমাপনী দিনে গতকাল শনিবার কনসার্ট আর মানুষের ভিড়ে এমনই জমজমাট ছিল রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়াম। কনসার্টে গান আর মিউজিক দিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছিল জনপ্রিয় ব্যান্ড নগরবাউল, জলের গান ও মিনার।

এদিন সন্ধ্যা থেকেই শিল্পীদের জন্য শ্রোতা-দর্শকদের ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষা। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রথমেই মঞ্চে আসেন শিল্পী মিনার। শুরুতেই তিনি প্রয়াত শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে ‘হাসতে দেখো, গাইতে দেখো’ গানটি গেয়ে দর্শকদের স্মৃতিকাতর করে তোলেন। এরপর একে একে মিনার শোনান ‘কারণে অকারণে’, ‘তুমি যাওরে বৃষ্টি’, ‘ঘাসফুল’, ‘আহারে আহারে’ ও ‘ঝুম’ গানগুলো।

গানের ছন্দের পরিবর্তন ঘটায় আরেক জনপ্রিয় ব্যান্ড জলের গান। তারা দর্শকদের শোনায় ‘বকুল ফুল’, ‘রঙিন প্রজাপতি’, ‘মা’সহ আরও কয়েকটি জনপ্রিয় গান। মঞ্চ থেকে বিদায়ের আগে তারাও আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে দেশাত্মবোধক ‘বসুন্ধরা’ গানটি পরিবেশন করেন।

এরপর বাড়তে থাকে দর্শকের করতালি। কারণ, এর পরই যে দেশীয় ব্যান্ড ভক্তদের কাছে ‘গুরু’ বলে পরিচিত জেমস মঞ্চে উঠবেন। অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জেমস মঞ্চে উঠে একের পর এক গেয়ে শোনান ‘দুখিনী দুঃখ করো না’, ‘লেইস ফিতা লেইস’, ‘গুরু ঘর বানাইলা কী দিয়া’, ‘মা’সহ বেশকিছু শ্রোতাপ্রিয় গান।

কনসার্টের শুরুতে প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন আড়ংয়ের সিইও আশরাফুল আলম। এ ছাড়া কনসার্টে তাগা ম্যান ব্র্যান্ডের ভিডিও প্রদর্শনীও করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ