Skip to main content

অনির্ধারিত পথে আমদানি-রপ্তানীর দায়ে সব পণ্য  বাজেয়াপ্ত করার বিধান রেখে সংসদে কাস্টমস বিল উপস্থাপন

তরিকুল ইসলাম সুমন : কাস্টমস ঘোষিত রুট ও বন্দর ছাড়া অনির্ধারিত রুট ও স্থানে আমদানিকৃত পণ্য খালাস বা একইভাবে কোনও পণ্য রপ্তানীর করার চেষ্টা হলে সেসব পণ্য বাজেয়াপ্ত ও পণ্যমূল্যের দ্বিগুণ জরিমানা আরোপের বিধান রেখে সংসদে উত্থাপিত হয়েছে কাস্টমস আইন ২০১৮। এছাড়া বিলে শুল্ক ও কর ফাঁকির উদ্দেশ্যে ওয়ারহাউস সুবিধার অপব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজেয়াপ্ত করাসহ সর্বোচ্চ ৩ বছরের সশ্রম কারদন্ড ও শুল্ক-করের দ্বিগুণ জরিমানা আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে। একইভাবে শুল্ক পরিশোধ ছাড়া পণ্য খালাসে সহায়তা করলে একইদন্ড আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। ডিপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের ২৩তম অধিবেশনে গতকালের বৈঠকে সম্পূরক কর্মসূচিতে বিলটি উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরে একমাসের মধ্যে অধিকতর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য বিলটি সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। প্রস্তাবিত বিলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কাস্টমস কর্মকর্তাকে সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা চোরাচালানে জড়িত সন্দেহে কোন ব্যক্তিকে পরোয়ানা ব্যাতীত তল্লাশী গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চোরাচালান নিরোধে কাস্টমস কর্মকর্তা বা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যকে চোরাচালানের অভিপ্রায়ে সম্পৃক্ত কোন সংকেত বা সংবাদ কোন যানবাহন বা গৃহে প্রস্তুত হচ্ছে তথ্যেও ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করতে পারবেন। বিলে পণ্য বাজেয়াপ্তি বা জরিমানা আরোপের পূর্বে এই আইনের অধীন কোন কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা যাবে না। জরিমানা ও সর্বোচ্চ দ-ের পরিমাণ কাষ্টমসের কর্মকর্তা বা বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত হবে। এজন্য আইনে কাস্টমস হাউস বা ক্লিায়ারেন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার এসিস্টান্ট কমিশনার সর্বোচ্চ পরিমাণ জরিামান আরোপ করতে পারবেন। এছাড়া দুই লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আদায়ের ক্ষমতা আইনে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আরো দুটি বিল পাস এছাড়া বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বিল ও বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বিল নামে গতকাল দ’ুটি বিল কন্ঠভোটে পাস করেছে জাতীয় সংসদ। দুই মেয়াদের বেশি কেউ চেয়ারম্যান হিসেবে এই সংস্থায় দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা মর্মে সংশোধনীসহ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বিল ২০১৮ বিল পাসের প্রস্তাব করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এছাড়া বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বিল ২০১৮ পাসের প্রস্তাব করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক।