প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নৌকায় ভোট দিন
পায়রা হবে গভীর সমুদ্র বন্দর : প্রধানমন্ত্রী

নিনা আফরিন,পটুয়াখালী : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচনে আপনারা নৌকায় ভোট দিন, আমি বাকী উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করবো। পায়রা তাপবিদুৎ কেন্দ্র আগামী বছর ১৩২০ মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রীডে সরবারাহ করতে সক্ষম হবে। ভবিষ্যতে এই পায়রা বন্দর থেকে ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপাদন করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে পায়রা সমুদ্র বন্দর নির্মান করেছে।

প্রথমবার ৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর দোয়ারিকা, শিকারপুর নদীতে সেতু নির্মান করেছে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বরিশাল, লেবুখালী, এবং কলাপড়ায় শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল সেতু নির্মান করে দিয়েছে। তিনি বলেন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে দক্ষিনাঞ্চলের উন্নয়ন হয়। তবে সরকার উন্নয়ন করলে সাধারন মানুষ যাতে কষ্ট না পায় সে দিকে খেয়াল রাখে। পায়রা বন্দর আগামীতে গভীর সমুদ্র বন্দর হবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দক্ষিনাঞ্চলে পরমানু বিদুৎ কেন্দ্র নির্মান করা হবে। অবহেলিত দক্ষিনাঞ্চল হবে সমৃদ্ধ জনপদ।

স্মৃতি চারন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, টুঙ্গিপাড়া থেকে এক সময় তিনি স্পীডবোর্ডযোগে পটুয়াখালী, বরগুনা সফর করেছেন। প্রতিটি জনপদে সভা করেছেন। এখানকার মানুষের দূ:খ তিনি জানেন। এই অবহেলিত জনপদ এখন অর্থনীতির চালিকা শক্তি হবে। প্রধানমন্ত্রী আজ বেলা ১২টায় পটুয়াখালীর পায়রা ১৩২০ মে:ও: তাপবিদুৎ কেন্দ্রে জমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ ১৩০টি পারিবারের মধ্যে আধুনিক সুবিধা সম্বলিত আবাসন প্রকল্প “স্বপ্নের ঠিকানা”র চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, জ্বালানী উপদেষ্টা তৌফিক ই ইলাহী, চীপ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিল্পমন্ত্রী আমাীর হোসেন আমু, বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সদস্য ও উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেলা সাড়ে ১১টায় হেলিকপ্টার যোগে প্রধানমন্ত্রী পায়রা তাপবিদুৎ প্রকল্প এলাকায় অবতরন করেন। সেখানে পটুয়াখালী মহিলা পুলিশ কন্টিজেন্টের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অর্নার প্রদান করেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী তাপবিদুৎ কেন্দ্রের নির্মানাধীন সুউচ্চ বয়লার পরিদর্শন করেন। সেখানে চীনের এক হাজার ৮০০ শ্রমিক এবং বাংলাদেশের সাড় চার হাজার শ্রমিক প্রধানমন্ত্রীকে অভিভাদন জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকার পশ্চিম পাশে ক্ষমিগ্রস্থদের জন্য ১৬.২২ একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত আবাসন প্রকল্প স্বপ্নের ঠিকানার পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং একটি নারকেল গাছের চারা রোপন করেন।

পরে স্বপ্নের ঠিকানায় ঘর পাবেন এমন এক নারীকে নিয়ে তার পুরো ঘর ঘুরে দেখে সুধা সমাবেশে যোগদেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পটুয়াখালীর ১৬ টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও নতুন ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। পরে মধ্যাহ্ন বিরতীর পর বরগুনা উপজেলার তালতলী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগদানের জন্য পটুয়াখালী ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ