প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিষিদ্ধ হচ্ছে সেন্টমার্টিনে রাতযাপন, পর্যটনে বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কা

সাজিয়া আক্তার : আগামী বছরের মার্চ থেকে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের রাতযাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য ফিরে আসবে বলে মনে করছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। তবে এতে পর্যটন শিল্পে বিরূপ প্রভাব পড়বে সংশ্লিষ্টরা এমনটাই বলছেন। সূত্র : ডিবিসি টেলিভিশন

দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন। আট বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ দ্বীপে বছরের প্রায় সব মৌসুমেই থাকে পর্যটকদের ভিড়। দ্বীপ রক্ষায় গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয়র কমিটির সিদ্ধান্তে আগামী বছরের মার্চ মাস থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের রাত্রিযাপন। সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে বড় ধরনের অবস্থান হিসেবেই দেখছেন পরিবেশবাদীরা।

পরিবেশবাদী সংগঠন সেভ দ্য নেচার, কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, এই সিদ্ধান্তের কারণে সেন্টমার্টিনের আগের অবস্থা ফিরে আসবে। পাশাপাশি আমাদের জীববৈচিত্র রক্ষা হবে বলে আমি মনে করি।

কক্সবাজারের চেয়ারম্যান আ.ন.ম. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সেন্টমার্টিনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত কোনো ব্যবস্থা নেই। আইন করে প্লাস্টিক পণ্য, চিপসের প্যাকেট, পানির বোতল পরিহার করতে হবে।

পরিবেশবাদীরা সিদ্ধান্তটিকে স্বাগত জানালেও লোকসানের আশঙ্কা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজার টুয়াক ফাউন্ডেশন কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হাসিব বাদল বলেন, সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের রাতযাপন নিষিদ্ধ করার ফলে এখানকার জনগোষ্ঠী যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে তেমনি পর্যটন শিল্পে আমরা যারা বিনিয়োগকারী, গেস্ট হাউজ মালিক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী আছি, তারা সাবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, পর্যটন শিল্পে কোনো রকম বিঘ্ন ঘটবে বলে আমার মনে হয় না। কারণ সেন্টমার্টিন দ্বীপ এখন পর্যটকদের যাচ্ছেতাই ব্যবহারের কারণেই আসলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ