প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্পিকার থাকলে সংসদ ভাঙার সুযোগ নেই : সুভাষ সিংহ রায়

জুয়েল খান : সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং বাংলাবিচিত্রা পত্রিকার সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায় ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছ থেকে শপথগ্রহণ করে। অতএব স্পিকার থাকলে সংসদ ভাঙার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় সংসদ ভাঙবে কি ভাঙবে না সেই সিদ্ধান্ত এতকান্তই সংসদের। এখানে নির্বাচন কমিশনের কোনো ধরনের এখতিয়ার নেই। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন।
ভোটারদের নির্বাচনের প্রতি আস্থা আনা এবং ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করবে সরকার। এছাড়া বাংলাদেশের সংবিধানের মধ্যে থেকেই নির্বাচন হবে। তিনি বলেন গত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৪ হাজারের বেশি মানুষ অগ্নিসন্ত্রাসের স্বীকার হয়েছিলো। এবং ৫ শতাধিক মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিলো।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকার বলে কোনো কথা নেই। যারা সরকারে থাকেবে তারাই নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করবে। বিশ্বের যে সকল দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র আছে যেমন- ভারত, নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়াতেও সংসদ বহাল রেখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি জানান, অনেকেই বলে থাকে যে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এই নির্বাচন নিয়ম রক্ষার নির্বাচন। কিন্তু আসলেই প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেননি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার নির্বাচনের কথা। কারণ সেই নির্বাচনে আসার জন্য আওয়ামী লীগের তরফ থেকে বিএনপিকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু বিএনপি কোনো কিছুতেই রাজি না হয়ে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে। এবং নির্বাচন বানচাল করার জন্য দেশব্যাপী জ্বালাও-পোড়াও এবং আগুন সন্ত্রাস করে মানুষ মারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য ড. কামাল হোসেনের নেতৃতে যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়েছে সেই ঐক্যফ্রন্ট জনগণ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছে না। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কোনোধরনের প্রভাব বিস্তার করতে পারছে না। কারণ এরা সব সময় ধ্বংসের রাজনীতি করে আসছে। এমনকী ১/১১ -র সময় দুই দলকেই ধ্বংসের চেষ্টা করেছিলো।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সিলেটের জনসভা প্রসঙ্গে সুভাষ সিংহ রায় বলেন, সিলেটের জনসভায় সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিলো না। সেখানে জামায়াতের কর্মী সমর্থক উপস্থিতিই বেশি ছিলো। কিন্তু ড. কামালের কোনো কর্মী সমর্থক ছিলো না। কারণ, ড. কামাল হোসেন সাধারণ মানুষের সাথে সম্পৃক্ত নন। ড. কামাল হোসেনের যে আন্তর্জাতিক পরিচিতি, সেটা বাংলাদেশের জন্য কখনো কাজে আসেনি। তিনি কখনো বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেননি। সুত্র : ডিবিসি নিউজ। সম্পাদনায়: শাশ্বত জামান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ