প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ছায়ানটকে অাভিনন্দন জানিয়ে মোদির টুইট

তরিকুল ইসলাম : ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’ আন্তর্জাতিক পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশের ছায়ানট মনোনীত হওয়ায় টুইট করে অাভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে শুক্রবার এক টুইট বার্তায় অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে ছায়ানট বাংলাদেশ ও বিশ্বে গুরুদেব ঠাকুর (বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) চর্চায় প্রধান ভূমিকা রেখে চলেছে।

ছায়ানট বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনেরও অংশ ছিলো। এমনকি যখন পূর্ব পাকিস্তানে রবীন্দ্র সংগীতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় তখনও এর প্রতিবাদে বেশ জোরালো ভূমিকা রাখে সংগঠনটি। এর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বা টেগোর অ্যাওয়ার্ড হলো কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চালু করা একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

সাংস্কৃতিক সংহতি, বিশ্বজনীনতা ও সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির মূল্য রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ভারত সরকার ২০১১ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে

বৃহস্পতিবার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের এক বার্তায় এ সম্মাননা প্রদানের বিষয়টি জানিয়ে বলা হয়, এই পুরস্কারের অর্থমূল্য ভারতীয় মুদ্রায় এক কোটি টাকা। সেইসঙ্গে একটি মানপত্র এবং ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প স্মারক দেয়া হয়।

এর আগে দুইজন ব্যক্তিগত সম্মাননা হিসেবে এ পুরস্কার পেলেও ‘ছায়ানট’ প্রথম প্রতিষ্ঠান যারা এ বিরল সম্মাননা পাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ এবং ভারত, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও অনুধাবনের ক্ষেত্রে একটি ঘনিষ্ঠ সেতুবন্ধনের কাজ করেছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ছায়ানটের নাম। যে প্লাটফর্মের মধ্য দিয়ে বাঙালির পরিচয় এবং সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তির প্রকাশ ঘটেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পূর্ব পাকিস্তানে রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ হলে, ছায়ানট রবিঠাকুরের গানের সুর এবং রচনার মাধ্যমে উদার অভিব্যক্তি প্রচার করতে থাকে গোপনে।

জুরির সিদ্ধান্তটি গুরুদেবের সার্বজনীন মানবতাবাদের উদার প্রগতিশীল ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখা জন্য এবং সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির প্রচারে সংগঠনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ।

২০১২ সালে প্রথমবারের মতো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত করা হয় ভারতীয় সেতার সম্রাট রবি শংকরকে।

দ্বিতীয়বার ২০১৩ সালে সঙ্গীতজ্ঞ জুবিন মেহতাকে ভূষিত করা হয়েছিল। পুরস্কারটি জাতীয়তা, জাতি, ভাষা, বর্ণ, ধর্ম বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার জন্য উন্মুক্ত।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ