Skip to main content

পুতিনের অধীনে রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘গ্রু’ এর উত্থান

নূর মাজিদ : রুশ প্রেসিডেন্ট ভ¬াদিমির পুতিনের নেতৃত্বে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ বা গ্রু। যুক্তরাজ্যের সালসবেরিতে বিষাক্ত নার্ভ এজেন্ট হামলা, পশ্চিমা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য চুরিতে রুশ হ্যাকারদের হামলা এমনকি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন এই সকল সাম্প্রতিক ঘটনায় মুখ্য ভূমিকা পালন করছে গ্রু। তবে এই সংস্থাটির গুরুত্ব ও অপারেশনের আওতা বৃদ্ধির পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ¬াদিমির পুতিন। চলতি বছরেই এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার শততম বার্ষিকী পালন করা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন রুশ সরকার এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ডার ¯িপগেলগ্রু এর শততম জন্মদিনে উৎসাহব্যঞ্জক বক্তব্য দেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। এসময় তিনি রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সংস্থাটির ১শ বছরের ধারাবাহিক অবদানের উচ্ছসিত প্রশংসা করেছেন। তবে একই সময় তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিশনে সংস্থাটির সদস্যদের করা ভুলগুলোর তীব্র সমালোচনা করে। রুশ এজেন্টদের এই সমস্ত ভুলের কারণেই পরবর্তীকালে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেয়। যার মাঝে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অন্যতম। তবে একই সময়ে বিদেশের মাটিতে সংস্থাটির অপারেশন পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে পশ্চিমা গোয়েন্দারা তাদের পূর্বের ধারণার পরিবর্তন করেছেন। এতদিন তারা ইউরোপে সংস্থাটির অপারেশন পরিচালনার কৌশল ও সক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। কিন্তু, তাদের ভুল ভাঙ্গে খোদ যুক্তরাজ্যের মাটিতে সাবেক রুশ গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার কন্যা ইউলিয়ার ওপর প্রাণঘাতী নার্ভ এজেন্ট হামলার পর। এই বিষয়ে জার্মান গোয়েন্দা সংস্থার এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ডার ¯িপগেল জানায়, রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা সোভিয়েত আমলের পর তাদের সাংগঠনিক কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য সংস্কার করছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন সংস্থাটির বাজেট এবং প্রশিক্ষণের পেছনে ব্যক্তিগত মনোযোগ দিয়েছেন। ফলে দিনে দিনে পশ্চিমা স্বার্থের বিরুদ্ধে আঘাত হানার সক্ষমতায় তারা পারদর্শী হয়ে উঠছে এবং ইউরোপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব হোসেন

অন্যান্য সংবাদ